সব সময় সব খানে


শনিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শনিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

>> সিজারিয়ানে হেলথ কেয়ার হাসপাতালে প্রসূতির মৃত্যু, দুই সপ্তাহেও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেই

>> পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযানে ইউরিয়া সার ও ভারতীয় গরু আটক

আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

বাংলাদেশ জামায়েতে ইসলাম যেভাবে রাজনীতিতে আসলেন।


মো:জাহিদুল ইসলাম প্রতিনিধি গাইবান্ধা

eshomoy.com || 2024-11-18
বাংলাদেশ জামায়েতে ইসলাম যেভাবে রাজনীতিতে আসলেন।



বাংলাদেশ জামায়েতে ইসলাম  একটি আলোচিত সমালোচিত একটি দল। যাহা দলটির সমর্থক বাংলাদেশে রয়েছে,   কিন্তু জামায়েতে ইসলামের ক্ষেত্রে একটি ভিন্ন দল,   জামায়েতে  ইসলাম, এই দলটি ১৯৭১ সালে  বাংলাদেশ স্বাধীনতার  পরে প্রকাশ্যে   অবস্থান নিলে  স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হতে সময় লাগেনি। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে  ১৯৭২ সালে, সংবিধানের ৩৮ ধারা  অনুযায়ী  রাজনৈতিক   ধর্মের উদ্দেশ্যে অপব্যবহার করা হয়। যেহেতু জামায়েতে ইসলাম  রাজনীতির মূল  উপযুক্ত ধর্ম  সেজন্য স্বাধীন বাংলাদেশ দলটির   সাংগঠনিক  অস্তিত্ব দৃশ্যত  বিলীন হয়ে যায়,বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি, শেখ মুজিবুর রহমানের  শাসন আমলে  রাজনৈতিক দল হিসেবে  জামায়েতে ইসলামের কোন   অস্তিত্ব ছিলনা। দৃশ্যপাঠ  বদলে যেতে থাকে মুজিব হত্যাকাণ্ডের পর, ১৯৭৬ সালে, ২৩ মে রাষ্ট্রপতি এস, এম, সায়েম   একটি আইন জারি করেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংবিধানের  ১৩৮ নম্বর অনুচ্ছেদ বাতিল করে , ধর্মভিত্তিক রাজনীতি  উপর  নিষেধাজ্ঞ তুলে নেওয়া হয়। তখন রাষ্ট্রপতি সায়েম  থাকলেও  রাজনীতির মূল চাবি ছিল জিয়াউর রহমানের হাতে , এরপর জামায়েতে ইসলামী  আত্মপ্রকাশ ছিল শুধুই সময়ের  ব্যাপার  কিন্তু যেহেতু বাংলাদেশ  স্বাধীনতা যুদ্ধে, জামায়েতে ইসলামের বিরুদ্ধে আচরণ তখনও সবার মনে জায়গা ছিল, সেজন্য দলটি তাৎক্ষণিকভাবে  জামায়েতে ইসলামের নামে আত্মপ্রকাশ করেনি। কিন্তু রাজনীতিতে তারা কিছু কৌশল অবলম্বন করত, ৭৬ সালে ২০ আগস্ট জামায়েতে ইসলাম সহ আরো কয়েকটি ধর্মভিত্তিক দল মিলে  একটি   ডেমোক্রেটিক   লীগ আইডিয়াল   দল গঠন করেন। জামায়েতে ইসলামের সদস্যরা   ডেমোক্রেটিক লীগ   আইডিয়াল  এর সম্পৃক্ত হয়ে  রাজনীতিতে আসেন। ডেমোক্রেটিক লীগ আইডিয়ালের ব্যানারে  জামায়েতে ইসলামের কয়েকজন নেতা ১৯৭৯ সালে,  নির্বাচনে অংশ নিয়ে ছয়টি আসনে জয়লাভ করেন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে জামায়েতে ইসলাম প্রথমবার সংসদে আসেন, সে বছরে জামায়েতে ইসলামের  সমাবেশের আয়োজন করা হয় । ১৯৭৯ সালে, মে মাসের ২৫,২৬,২৭,তারিখে তৎকালীন ঢাকার ইডেন হোটেলে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।আব্বাস আলী খানের আহব্বানে  সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, প্রায়  সাড়ে চারশ জন সদস্য, এই সমাবেশে গোলাম আজমের একটি ভাষণ পড়ে শোনানো হয় । সমাবেশে একটি নতুন গণতন্ত্র গঠন করা হয় , এটার ভিত্তিতে ১৯৭৯ সালে , ২৭মে কর্মসূচি নিয়ে  জামায়েতে ইসলাম বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে। এরপর থেকে  ঢাকা সহ বিভিন্ন জায়গায় সমাবেশ করতে থাকে জামায়েতে ইসলাম,  এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময়ও রাজনীতে ছিল জামায়েতে ইসলাম, এরশাদ বিরোধী  আন্দোলনের পর 

যে নির্বাচন হয় সেই নির্বাচনে জামাতী ইসলাম ১৮ আসন পান,সে বার জামায়েতে ইসলামকে নিয়ে সরকার গঠন করেন বিএনপি , তারা সমর্থন না করলে বিএনপি'র পক্ষে সরকার গঠন করা সম্ভব হতো না। তখন থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আলোচিত হয়ে উঠে জামায়েতে ইসলাম, বিএনপি সরকার ক্ষমতা থাকার মাঝামাঝি  আওয়ামী লীগ সরকার তত্ত্বাবধায়ক   সরকার দেওয়ার দাবিতে আন্দোলনে নামেন। একই সাথে শুরু করে জামায়েতে ইসলাম জাতীয় পার্টি  আন্দোলন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে যে নির্বাচনের ঘোষণা দেন,  ওই আন্দোলনটি  সহিংসতার রূপনেয়, এক সময় সংসদ পদত্যাগ করেন, আওয়ামীলীগ, বিএনপি জাতীয় পার্টি, জামায়েতে ইসলাম , আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচন সুস্থ হবে না। ১৯৯৬ সালে ১৫ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন  প্রতিহত করার জন্য ১৪-১৫ ও ১৬ লাগাতারা হরতালের ডাক দেন আওয়ামী লীগ  পাশাপাশি জাতীয় পার্টি জামায়েতে ইসলাম  কর্মসূচির ঘোষণা দেন।পরের তত্ত্ববোধক   সরকারের অধীনে  ওই বছরের জুনে  অনুষ্ঠিত সপ্তম সংসদ নির্বাচনে   তিনটি আসন নিজেদের অধীনে রাখতে সক্ষম হয় দলটি, ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে  বিএনপি ও জামায়েতে ইসলাম একত্রিত হয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। এতে জামাত ১৭ টি আসন পায়। গঠিত হয় চার দলীয় জোট, দলটিতে মন্ত্রী পদে দায়িত্বপান শিষ্য দুই  নেতা, ২০০৬ সালে ২৮ শে অক্টোবর ঢাকা পল্টন বায়তুল মোকাররম এলাকায় জামায়েতে ইসলাম ও আওয়ামী লীগের মধ্যে রক্তাক্ত  শুরু হয়।২০০৮ সালে শেষের দিকে যে সাধারণ  নির্বাচন হয়,  সেখানে আওয়ামীলীগ  এরপর থেকে ১৯৭১ সালের খুনিদের নানাভাবে ধরেন আওয়ামী লীগ সরকার। সে সময়ে জামায়েতে ইসলামের নেতা আমৃত্যু   দেন, গোলাম আযমকে আরো  কয়েক ন নেতার ফাঁসি দেওয়া হয়। তার মধ্যে অন্যতম নেতা,  মতিউর রহমান নিজামি,  মুজাহিদ, কাদের মোল্লা,আরো অনেকে,  ২০১৩ সাল পহেলা আগস্ট  হাইকোর্ট থেকে  জামায়েতে ইসলামের  নিবন্ধন বাতিল করার ঘোষণা দেয়। পরে ২০১৮ সালে  ৮ ডিসেম্বর দলটির নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন, সর্বশেষ ২০২৪ জুলাই মাসে, দলটিকে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা নেয় সরকার,