সব সময় সব খানে


শনিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শনিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

>> সিজারিয়ানে হেলথ কেয়ার হাসপাতালে প্রসূতির মৃত্যু, দুই সপ্তাহেও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেই

>> পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযানে ইউরিয়া সার ও ভারতীয় গরু আটক

আপনি পড়ছেন : জনদুর্ভোগ

গাইবান্ধা উপজেলা পরিষদের পিয়ন কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও


গাইবান্ধা প্রতিনিধি -ই সময়

eshomoy.com || 2022-03-12
গাইবান্ধা উপজেলা পরিষদের পিয়ন কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও

 

 


পিয়ন হলেও পরিচয় দেয় ক্ষমতাধর কর্মকর্তা। ইস্যু করেছে ভুয়া বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধীদের ভাতার কার্ড। টাকার বিনিময়ে সরকারি ভাতার হুবহু বইও সরবরাহ করেছে। দুই শতাধিক গরিব মানুষের প্রায় কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা গাইবান্ধা সদর উপজেলা পরিষদের পিয়ন নুর ইসলাম ও তার সহযোগী মুক্তি বেগম। তার এমন প্রতারণার ফাঁদে পড়ে এখন অসহায় এ হতদরিদ্র মানুষ।


সদরের লক্ষ্মীপুর, বোয়ালী ও মালিবাড়ি ইউনিয়নের দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা নিয়ে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড দিয়েছে সদর উপজেলা পরিষদের পিয়ন নুর ইসলাম ও তার সহযোগী মুক্তি বেগম। কার্ড পেলেও ভাতার টাকা না পেয়ে উপজেলা পরিষদে গিয়ে তারা জানতে পারেন কার্ডগুলো ভুয়া।

  
এরপর থেকে সমাজসেবা কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দফতরে প্রতিকারের আশায় ধরনা দিচ্ছেন অসহায় মানুষজন। তাদের অভিযোগ, ভাতার কার্ড ও ঘর দেওয়ার নামে নুর ইসলাম ও তার সহযোগী মুক্তি বেগম সদরের লক্ষ্মীপুর বোয়ালীসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করে। ভুক্তভোগীদের ভয়ে গাঢাকা দিয়েছে অভিযুক্ত পিয়ন নুর ইসলাম। একটি পাড়া থেকেই তিন লাখ টাকা নেওয়ার কথা স্বীকারও করে মুক্তি বেগম।
 

নুর ইসলামের সরবরাহকৃত কার্ডগুলো ভুয়া বলে দাবি করেন গাইবান্ধা সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. নাসির উদ্দিন শাহ্।
সমাজসেবা কর্মকর্তা ।
 
 
আর অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুর রাফিউল আলম।
 

গাইবান্ধা সদর উপজেলা পরিষদের মাস্টাররোল কর্মচারী নুর ইসলামের বাড়ি শহরের বাংলাবাজার এলাকায়। আর সহযোগী মুক্তি বেগম থাকে পুলিশ-লাইন বোর্ডবাজারে।