সব সময় সব খানে


সোমবার, জুলাই ২৭, ২০২৬

১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
সোমবার, জুলাই ২৭, ২০২৬
১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সিরাজগঞ্জে ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী গুরুতর আহত, ঢাকায় রেফার্ড

>> সিরাজগঞ্জে বাস চালককে জরিমানা করায় সড়ক অবরোধে বাজার স্টেশনে তীব্র যানজট

>> বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) অনুমতি ছাড়াই রায়গঞ্জে চলছে ‘মিনি পেট্রোল পাম্প

>> মাত্র এক হাজার টাকার বিরোধে যুবককে হত্যা মামলার মূল আসামি শাহীন গ্রেফতার

>> ফরিদপুরে মামুনুল হকের আগমন উপলক্ষে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

>> এনায়েতপুর দুটি হত্যা মামলায় প্রভাবশালীদের অব্যাহতিতে বিতর্ক

>> সবুজ সিরাজগঞ্জ গড়ার প্রত্যয়ে সাত্তার ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

>> দিনাজপুর সীমান্তে ৯ নারীকে পুশ-ইনের চেষ্টা, বাধা দিল বিজিবি

>> মাদকের চালান টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে: হাতীবান্ধার চার পুলিশ কর্মকর্তা ক্লোজড

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় নবযোগদানকৃত টিএইচ আই'র সাথে চিকিৎসক সমিতির সৌজন্য সাক্ষাৎ

আপনি পড়ছেন : সারাদেশ

৫০০ টাকার জন্য মাকে হত্যা, মরদেহ ফ্রিজে রাখে ছেলে


eshomoy.com || 2024-11-12
৫০০ টাকার জন্য মাকে হত্যা, মরদেহ ফ্রিজে রাখে ছেলে

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় হাত খরচের ৫০০ টাকা নিয়ে বাকবিতণ্ডার জেরে পূর্বপরিকল্পনায় মা ছালমা খাতুনকে (৫০) শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ডিপ ফ্রিজে তুলে রাখে ছোট ছেলে মো. সাদ বিন আজিজুর রহমান (১৯)। 


এরপর হত্যা ঘটনাটিকে ডাকাতিতে রূপান্তর করতে কুড়াল দিয়ে বাড়ির আলমারি ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে মূলগেটে তালা লাগিয়ে মাদ্রাসায় ফিরে যান তিনি। 


মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-১২ বগুড়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর এহতেশামুল হক খান ।


এর আগে জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলার জয়পুরপাড়া এলাকায় আজিজিয়া মঞ্জিল নামে নিজ বাসায় গৃহবধূ উম্মে সালমা খাতুন (৫০) নিহত হন। নিহত ছালমা দুপচাঁচিয়া দারুস সুন্নাহ কামিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল ও উপজেলা জামে মসজিদের খতিব আজিজুর রহমানের স্ত্রী। এ ঘটনায় র‍্যাব নিহতের ছোট ছেলে মো. সাদ বিন আজিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে।


র‍্যাব জানায়, সোমবার দুপচাঁচিয়ায় নিজ বাড়িতে গৃহবধূ উম্মে ছালমাকে হত্যা করে ডিপ ফ্রিজে তুলে রাখার খবরের ঘটনায় সারাদেশে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার পর র‍্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে। ছায়া তদন্তে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিহতের ছোট ছেলেকে সাদ বিন আজিজুর রহমানকে তার দাদার বাড়ি জেলার কাহালু উপজেলার পাঁচপীর আড়োবাড়ী থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়।


জিজ্ঞাসাবাদকালে ছেলে জানায়, তার মা সালমা খাতুনের সাথে হাত খরচের টাকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ঝগড়া বিবাদ হচ্ছিল। এবং বাসা থেকে প্রায় প্রতিদিনই ৫০০-১০০০ টাকা হারিয়ে যেতো। সোমবার সকালে উম্মে সালমা খাতুনের সাথে হাত খরচের টাকা নিয়ে কথার কাটাকাটি ও বাকবিতণ্ডা হয়। পরে আসামি সাদ রাগ করে সকালের নাস্তা না খেয়ে তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দুপচাঁচিয়া দারুসসুন্নাহ কামিল মাদ্রাসায় ক্লাস করার জন্য চলে যায়। বেলা ১১টার দিকে মাদ্রসায় ক্লাসের বিরতি হলে মাদ্রাসার আশপাশ এবং তার বাসার কাছাকাছি এলাকায় ঘুরে বেড়ায়। ঘুরে বেড়ানোর একপর্যায়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাদ বাসায় প্রবেশ করে।


এ সময় তার মা উম্মে সালমা খাতুন (৫০) বাসায় বসে একা বটি দিয়ে মিষ্টি কুমড়ার তরকারি কাটাকাটি করছিলো। এমন সময় সাদ পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তার মায়ের পিছন দিক থেকে নাক-মুখ চেপে ধরে ধস্তাধস্তি শুরু করে। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তার মা বাঁচার জন্য চেষ্টা করতে থাকলে নাক-মুখ দুই হাত দিয়ে চেপে ধরে উম্মে ছালমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা নিশ্চিত করে ওড়না দিয়ে বেঁধে বাসায় থাকা ডিপ ফ্রিজের ভেতর রেখে ফ্রিজের ঢাকনা লাগিয়ে দেয়।