সম্প্রতি ময়মনসিংহে এই লাশকাটা ঘরেই এমন একটি বীভৎস ঘটনা ঘটেছে, যা মানুষের কল্পনাকেও হার মানায়। মানুষ হয়তো কল্পনাতেও এত বীভৎস ঘটনা চিন্তা করতে পারে না। ডোম আবু সাঈদ সে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে সহযোগী হিসেবে কাজ করে অনেক দিন ধরে ম মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণ করে আসছিল। এ অভিযোগের সত্যতা পেয়ে বুধবার (২২ অক্টোবর) তাকে আটক করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।
কোতোয়ালি থানার ওসি শিবিরুল ইসলাম জানান, ময়মনসিংহে এ ধরনের ঘটনা এই প্রথম ধরা পড়েছে। প্রযুক্তি ও ডাক্তারের মাধ্যমে একটি হাসপাতাল মর্গের ঘটনা ধরা পড়েছে। ওই হাসপাতালে অনেক ডোম কাজ করেন। তারা যে এ ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে না সেটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। খুঁজলে আরও অনেক পাওয়া যেতে পারে। তাই হাসপাতালে পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
একটি মানুষের মস্তিষ্ক কতটা বিকৃত হলে এই ধরনের বীভৎস ঘটনা ঘটাতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই মানসিক রোগটির নাম ‘নেক্রোফিলিয়া’। পৃথিবীতে এই ধরনের রোগীর সন্ধান পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে এই ধরনের রোগীর সন্ধান এই প্রথম পাওয়া গেলো।
আমরা দেখে নেই নারীর জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ ৩টি জায়গা তথা আবাসস্থল, পরিবহন এবং তার কর্মস্থলে নারী কতটুকু নিরাপদ। তাহলে আমরা নারীর নিরাপত্তা বিষয়ক একটি চিত্র পেয়ে যাবো।
এখন সময় এসেছে প্রশ্ন তোলার, যে সমাজ ব্যবস্থা নারীকে জীবিত অবস্থায় তো বটেই এমনকি মৃত্যুর পরও নারীর মৃতদেহকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়, সেই সমাজ আসলে কতটুকু সভ্য সমাজ? তাহলে কি আমরা সভ্যতার উল্টো দিকে যাত্রা শুরু করেছি? ফিরে যাচ্ছি আদিম বর্বর সমাজে? নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানা এখন আমাদের জন্য খুব জরুরি হয়ে পড়েছে। ,