সব সময় সব খানে


রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : গাজীপুর

পূবাইলের করমতলায় ৫০টির বেশি পরিবার পানিবন্দি 


ফয়সাল ভূইয়া (পূবাইল) গাজীপুর

eshomoy.com || 2026-04-27 16:33
পূবাইলের করমতলায় ৫০টির বেশি পরিবার পানিবন্দি 
ছবি : প্রতিনিধি ফয়সাল ভূইয়ার তোলা ছবি

গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে ৫০টির বেশি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ও যাতায়াতের নির্দিষ্ট পথ না থাকায় চারিদিকে পানি জমে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে মানুষ।সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গাজীপুর মহানগরীর ৪২নং ওয়ার্ড করমতলা এলাকার চারিদিকে বৃষ্টির পানি জমে আছে। এদিকে পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এই পানির মধ্য দিয়ে শিশু ও বৃদ্ধসহ সবাইকে চলাফেরা করতে হয় এবং কি এ পরিবারগুলোর আবাসিক উন্নয়ন বন্ধ আছে দীর্ঘকাল। অনেকেই নিজ বাসভবন ছেড়ে অন্যত্র বাসা ভাড়া থাকছেন।এমনকি আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিস বা মুমূর্ষ রোগী আনা নেওয়ার ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্সসের সহযোগিতা নেওয়া সম্ভব নয়।   নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী এক নারী বলেন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষার বৃষ্টি নামলে পানিবন্দী হয়ে পড়ি। রাস্তার অভাবে নির্মাণ সামগ্রী আনা-নেওয়া করতে না পাড়ায় বাড়িঘরের নির্মাণ কাজও বন্ধ হয়ে আছে। এখন সব রাস্তা ডুবে গেছে। আমরা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছি। বাড়ি থেকে মূল সড়কে উঠতে গেলে কোমরপানি ভেঙে যেতে হয়। এলাকার এমন কোনো বাড়ি নেই, যেখানে পানি ওঠেনি। পানির কারণে গৃহবন্দী হয়ে পড়েছি।
 ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেন জানান, এইখানে ৭০/৮০টি পরিবারের বসবাস। জায়গাটি নিচু হওয়ায় এখানকার বেশির ভাগ ঘরবাড়িতে বৃষ্টি হলেই সমান পানি হয়। ঠিকমতো রান্না করতে না পারায় অনেককে একবেলা খেয়েই দিন পার করতে হচ্ছে।সিটি কর্পোরেশনের সকল নীতি পালন করলেও আমরা নাগরিক সুবিধা পাচ্ছি না । বেশি বর্ষণ হলে অনেকের ঘরে পানি প্রবেশ করে। এলাকায় ড্রেজার দিয়ে নিচু জমি অপরিকল্পিত ভরাট, একটি মাত্র পানি নিষ্কাশনের ড্রেন তাও বন্ধ করে দিয়েছে এলাকার অসাধু চক্রের সদস্যরা, এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় এনে পানি নিষ্কাশনের ব্যাবস্থা করলে এলাকাবাসী মুক্তি পাবে।