জাহাজমারা ছেরাজুল উলুম মাদ্রাসার জমি অবৈধভাবে দখল করেছে তাজুল।
নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থান জাহাজমারা ছেরাজুল উলুম আলিম মাদ্রাসা। প্রাচীন এই বিদ্যাপিঠ জাহাজমারার ঐতিহ্য বহন করে। এই মাদ্রাসার ৮০ শতাংশ জায়গা অবৈধভাবে সন্ত্রাসী কায়দায় দখল নেয় তাজুল। এই অভিযোগ করেন মাদ্রাসা অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা আবুল কাশেম। তিনি বলেন এই জমি প্রায় ৫৪ বছর মাদ্রাসার দখলে এবং আমরা এই জমি মাদ্রাসার নামে নামজারি করি। হঠাৎ করে কয়েকদিন আগে তাজুল অবৈধভাবে বল প্রয়োগের মাধ্যমে মাদ্রাসার এই জায়গা দখল করে। আমরা মাদ্রাসা কমিটি ও শিক্ষক জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ খুরশেদ আলমের সহযোগিতা কামনা করি। কিন্তু তিনি তা সমাধান দিতে রাজি নয়। পরোক্ষভাবে তাজুলকে সহায়তা করছে। জমিদাতা পরিবারের দাতা ফজলুল হক বলেন আমি দলিল অনুসারে দাতা / মুতওয়াল্লী। কিন্তু আমার ভাতিজা নিজেকে আইন বর্হিভূতভাবে মোতওয়াল্লী দাবি করে সন্ত্রাসী কায়দায় জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ খোরশেদ আলমের সহযোগিতায় মাদ্রাসার জায়গা দখল করে। তিনি আরো বলেন ইনচার্জ খোরশেদ আলম মোটা অংকের টাকা তাজুল থেকে গ্রহণ করে এই অবৈধ কাজে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।
জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ খোরশেদ আলম এর সাথে কথা বললে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসত্য ও বানোয়াট বলেন বিষয়টি ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন মোতওয়াল্লী নির্ধারণ করার দায়িত্ব আমার নয়। ফৌজদারি অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আশংকায় আমি দুই পক্ষকে আইনি বিষয়টি তুলে ধরি। মাদ্রাসা অধ্যক্ষ বলেন আমরা মাদ্রাসা কমিটি ও শিক্ষক তাজুলকে জমি ছেড়ে দেওয়ার কথা বললে সে আমাদের ও ফজলুল হককে মারধরের হুমকি দেয়।
আমরা মাদ্রাসা কৃর্তপক্ষ সাংবাদিক, সুশীল সমাজ ও প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি বেদখল হওয়া মাদ্রাসার জমি দখলমুক্ত করার সহযোগিতা করতে। তিনি বলেন এই জমি থেকে প্রাপ্ত আয় গরীব ও মেধাবী ছাত্র - ছাত্রীদের পড়াশোনার কাজে ব্যবহার হয়।