সব সময় সব খানে


শনিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শনিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

>> সিজারিয়ানে হেলথ কেয়ার হাসপাতালে প্রসূতির মৃত্যু, দুই সপ্তাহেও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেই

>> পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযানে ইউরিয়া সার ও ভারতীয় গরু আটক

আপনি পড়ছেন : নোয়াখালী

জাহাজমারা ছেরাজুল উলুম মাদ্রাসার জমি অবৈধভাবে দখল করেছে তাজুল


আরিফুল ইসলাম ফারহান।

eshomoy.com || 2025-07-28 22:44
জাহাজমারা ছেরাজুল উলুম মাদ্রাসার জমি অবৈধভাবে  দখল করেছে তাজুল

জাহাজমারা ছেরাজুল উলুম মাদ্রাসার জমি অবৈধভাবে  দখল করেছে তাজুল।


নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থান জাহাজমারা ছেরাজুল উলুম  আলিম মাদ্রাসা। প্রাচীন এই বিদ্যাপিঠ জাহাজমারার ঐতিহ্য বহন করে। এই মাদ্রাসার ৮০ শতাংশ জায়গা অবৈধভাবে সন্ত্রাসী কায়দায় দখল নেয় তাজুল। এই অভিযোগ করেন মাদ্রাসা অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা আবুল কাশেম। তিনি বলেন এই জমি প্রায় ৫৪ বছর মাদ্রাসার দখলে এবং আমরা এই জমি মাদ্রাসার নামে নামজারি করি। হঠাৎ করে কয়েকদিন আগে তাজুল অবৈধভাবে বল প্রয়োগের মাধ্যমে মাদ্রাসার এই জায়গা দখল করে। আমরা মাদ্রাসা কমিটি ও শিক্ষক জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ খুরশেদ আলমের সহযোগিতা কামনা করি। কিন্তু তিনি তা সমাধান দিতে রাজি নয়। পরোক্ষভাবে  তাজুলকে সহায়তা করছে। জমিদাতা পরিবারের দাতা ফজলুল  হক বলেন আমি দলিল অনুসারে দাতা / মুতওয়াল্লী। কিন্তু আমার ভাতিজা নিজেকে আইন বর্হিভূতভাবে মোতওয়াল্লী দাবি করে সন্ত্রাসী কায়দায় জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ খোরশেদ আলমের সহযোগিতায় মাদ্রাসার জায়গা দখল করে। তিনি আরো  বলেন ইনচার্জ খোরশেদ আলম মোটা অংকের টাকা তাজুল থেকে গ্রহণ করে এই অবৈধ কাজে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। 

জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ খোরশেদ আলম এর সাথে কথা বললে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসত্য ও বানোয়াট বলেন বিষয়টি ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন মোতওয়াল্লী নির্ধারণ করার দায়িত্ব আমার নয়। ফৌজদারি অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আশংকায় আমি দুই পক্ষকে আইনি বিষয়টি তুলে  ধরি।  মাদ্রাসা অধ্যক্ষ বলেন আমরা মাদ্রাসা কমিটি ও শিক্ষক তাজুলকে জমি ছেড়ে দেওয়ার কথা বললে সে আমাদের ও ফজলুল হককে মারধরের হুমকি দেয়। 

আমরা মাদ্রাসা কৃর্তপক্ষ সাংবাদিক, সুশীল সমাজ ও প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি বেদখল হওয়া মাদ্রাসার জমি দখলমুক্ত করার সহযোগিতা করতে। তিনি বলেন এই জমি  থেকে প্রাপ্ত আয় গরীব ও মেধাবী ছাত্র - ছাত্রীদের পড়াশোনার কাজে ব্যবহার হয়।