সব সময় সব খানে


রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

পূর্ব তিমুরের সঙ্গে বাংলাদেশের ভিসা অব্যাহতি চুক্তি সই


তাসপিয়া তাবাসসুম, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2024-12-15
পূর্ব তিমুরের সঙ্গে বাংলাদেশের ভিসা অব্যাহতি চুক্তি সই

পূর্ব তিমুরের সঙ্গে বাংলাদেশের ভিসা অব্যাহতি চুক্তি সই হওয়া দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই চুক্তি কূটনৈতিক ও সরকারি পাসপোর্টধারীদের জন্য দুই দেশের মধ্যে ভ্রমণ সহজ করবে এবং সম্পর্ককে আরও গভীর করবে।

মূল বিষয়গুলো:

  1. ভিসা অব্যাহতি চুক্তি:

    • কূটনৈতিক ও সরকারি পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই একে অপরের দেশে প্রবেশ, অবস্থান এবং প্রস্থান করতে পারবেন।
    • এই পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের সেতুবন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে।
  2. দ্বিপাক্ষিক পরামর্শ প্রক্রিয়া:

    • সমঝোতা স্মারক সইয়ের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত পরামর্শের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
    • এটি পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রসারিত করবে।
  3. প্রেসিডেন্ট হোর্তার সফর:

    • চার দিনের সফরে পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস হোর্তা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করবেন।
    • তিনি বাংলাদেশের ৫৪তম বিজয় দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
    • বঙ্গভবনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তার সাক্ষাৎ দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
  4. সম্ভাব্য প্রভাব:

    • এই চুক্তি কূটনৈতিক যোগাযোগ সহজতর করবে, যা ভবিষ্যতে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, ও অন্যান্য ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে।
    • এটি দুই দেশের মধ্যে বিশ্বাস ও সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তুলবে।

বাংলাদেশ ও পূর্ব তিমুরের এই নতুন সম্পর্কের অধ্যায় পারস্পরিক সহযোগিতা, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি উদাহরণ সৃষ্টি করবে। বিশেষত, বিজয় দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে এই চুক্তি সই হওয়া দুই দেশের জনগণের জন্য এক ইতিবাচক বার্তা বহন করে।