ছিনতাই চক্রটি ১২ জনের টিম। নগরীর জনাকীর্ণ ফুটপাত থেকে শুরু চলন্ত বাস। এমনকি পর্যটন কেন্দ্র বা দর্শনীয় স্থান। সব জায়গাতেই তাদের বিচরণ। নানা অজুহাতে, নানা কৌশলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোবাইল ফোন এবং নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়াই তাদের মূল কাজ।
একজনকে ধাক্কা দিয়ে এক লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় আটক করা হয়েছে এই চক্রের সাত সদস্যকে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, তানজিদুল ইসলাম নামে এক তরুণের কাছ থেকে এক লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে হেঁটে চলে যাচ্ছে ছিনতাইকারী দলের সদস্যরা। ব্যাংক থেকে টাকা তুলে অফিস যাওয়ার পথে আমতলা এলাকায় এই দলের খপ্পরে পড়ে তামজীদ।
অভিযোগ পাওয়ার পর পরই সিসিটিভি ফুটেজ নিয়ে অভিযানে নামে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে একে একে আটক হয় সাতজন। উদ্ধার করা হয় ছিনতাইকৃত টাকা, অস্ত্র, গুলি ও ছুরি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বের হয়ে আসে এই দলের অপরাধের নানা কৌশল।
সিএমপির কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।১২ সদস্যের এই দলের প্রধানকে বলা হয় মহাজন। বাসে যে মোবাইল লুট করবে সে মিস্ত্রি এবং ফুটপাতে টাকা বহনকারীকে যে ধাক্কা দেবে সে ঠেকবাজ হিসেবেই পরিচিত। এই দলের সবার বিরুদ্ধে ১২ থেকে ১৫টি করে যেমন মামলা রয়েছে, তেমনি পুলিশের হাতে আটক হয়েছে একাধিকবার।
ছিনতাইয়ের ঘটনায় তানজিদুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়েরের পর এই দলের প্রধান ইমনসহ অপর ৫ জনকে আটকের জন্য অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।