সব সময় সব খানে


শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬

১৬ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
১৬ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> পঞ্চগড়ে এইচএসসির ফলাফলে দুই কলেজে পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থী।

>> সিলেটের এমসি কলেজে এইচএসসিতে পাসের হার ৯৮.০৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮৮ শিক্ষার্থী।

>> আকরাম হত্যার পর একে একে মুখ খুলছেন নারীরা বিয়ের নামে লাখ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ মারুফের বিরু‌দ্ধে

>> সিরাজগঞ্জে যুবলীগের ঝটিকা মিছিলের পর চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

>> ভাঙ্গায় ট্রাকভর্তি ২৫০ বস্তা সার জব্দ: ডিলার আটক

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

কাতার ও ফিলিস্তিনের পাশে বাংলাদেশ


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-09-15
কাতার ও ফিলিস্তিনের পাশে বাংলাদেশ
সংগৃহীত ছবি

সম্প্রতি কাতারে ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। একইসঙ্গে কাতার ও ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের অটল সমর্থনের কথা জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কাতারের রাজধানী দোহায় আরব-মুসলিম শীর্ষ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে ঢাকার অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।

তৌহিদ হোসেন বলেন, কাতারের সার্বভৌম ভূখণ্ডে অকারণে ও অযৌক্তিকভাবে ইসরায়েলি আক্রমণ কেবল কাতারের ওপর আক্রমণ নয়, বরং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর মর্যাদার প্রতি অবমাননা।

বাংলাদেশ এই আগ্রাসনকে ইসরায়েলের একটি বেপরোয়া অভিযানের অংশ হিসেবে দেখে, যা জাতিসংঘ সনদ, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন এবং বারবার জাতিসংঘের প্রস্তাবগুলোকে অবজ্ঞা করে চলেছে।

সম্মেলনে বাংলাদেশ ইসরায়েলি উসকানি ও আগ্রাসন রোধে সব ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বিত কূটনৈতিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমাদের সম্মিলিতভাবে ইসরায়েলকে এই নগ্ন আগ্রাসনের জন্য জবাবদিহি করতে হবে এবং অবিলম্বে এই ধরনের অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধের দাবি জানাতে হবে।

শীর্ষ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি।

ওআইসির মহাসচিব হুসাইন ইব্রাহিম তাহা ও আরব লীগের মহাসচিব স্বাগত বক্তব্য দেন। তারা মুসলিম উম্মাহর সামগ্রিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংস্থার সনদের উদ্দেশ্যের কথা উল্লেখ করেন।

সম্মেলনে ২৪ জন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান উপস্থিত ছিলেন এবং বাকি দেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অথবা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা। নেতারা ৯ সেপ্টেম্বর কাতারের ওপর ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং মুসলিম দেশগুলোর নিরাপত্তা, সুরক্ষা এবং মর্যাদার প্রতি সর্বাত্মক সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেন।

তারা গাজায় ইসরায়েলি দখলদারত্ব অবিলম্বে বন্ধ করার এবং পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী করে দ্বিরাষ্ট্রীয় ফরমুলা অনুসরণ করে একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।

নেতারা গাজার জনগণের জন্য আন্তর্জাতিক সাহায্য ও খাদ্য সরবরাহের নিরবচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকারেরও আহ্বান জানান, কারণ ফিলিস্তিনি নারী-পুরুষ অনাহারে মারা যাচ্ছে। নেতারা দ্ব্যর্থহীনভাবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের হস্তক্ষেপ দাবি করেন, যাতে ইসরায়েলি নেতারা একের পর এক মুসলিম রাষ্ট্রের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন ও ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানোর জন্য জবাবদিহি করতে পারেন।