সব সময় সব খানে


রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

হিলি শত্রুমুক্ত দিবস--বিজয়ের পতাকায় গর্বিত আজকের ঐতিহাসিক ১১ ডিসেম্বর


জুবায়ের হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর:

eshomoy.com || 2025-12-11
হিলি শত্রুমুক্ত দিবস--বিজয়ের পতাকায় গর্বিত আজকের ঐতিহাসিক ১১ ডিসেম্বর
ছবি: হিলিতে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ ‘সম্মুখ সমর’।

আজ ঐতিহাসিক ১১ ডিসেম্বর, দিনাজপুরের হিলি শত্রুমুক্ত দিবস। দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং মুক্তিকামী মানুষের অসীম সাহসিকতার মধ্য দিয়ে আজকের এই দিনে (১১ ডিসেম্বর) দিনাজপুরের হিলি অঞ্চল হানাদার বাহিনীর দখলমুক্ত হয়। এই দিনটি ৭ নম্বর সেক্টরের আওতাধীন হিলিবাসীর জন্য বিজয়ের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে হিলির মুহাড়াপাড়া এলাকায় সংঘটিত হয়েছিল বড় ধরনের এক সম্মুখযুদ্ধ। এই অঞ্চলের স্বাধীনতাকামী মানুষ সেদিন সম্মিলিতভাবে অসীম সাহসিকতায় হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল। অন্যদিকে হানাদার বাহিনীও মেতে উঠেছিল নির্মম হত্যাযজ্ঞে।

মুক্তিযোদ্ধা সামসুল আলম সেই ভয়াবহ দিনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, “হিলির মুহাড়াপাড়া গ্রামে মিত্র ও মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে পাক সেনাদের প্রচণ্ড সম্মুখযুদ্ধ হয়েছিল। সেই যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন ৭ নম্বর সেক্টরের আনোয়ারসহ ৩৪৫ জন মুক্তিসেনা। আহত হয়েছিলেন প্রায় ১৪শ’ জন।”

অসংখ্য মুক্তিসেনার আত্মত্যাগ ও রক্তে ভেজা এই যুদ্ধের পর প্রবল প্রতিরোধের মুখে অবশেষে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিল পাক হানাদার বাহিনী। সেই সঙ্গে গা ঢাকা দেয় স্থানীয় রাজাকার, আলবদর ও আল-শামস বাহিনীর সদস্যরা।

দীর্ঘদিনের বন্দী দশা ও ভয়াবহতা পেরিয়ে ১১ ডিসেম্বর হিলি শত্রুমুক্ত হওয়ার পর এলাকাবাসী বাঁধভাঙা উল্লাসে মেতে ওঠে। আনন্দ উল্লাসে মুক্তিকামী মানুষ লাল-সবুজের পতাকা উড়িয়ে বিজয়ের আনন্দ উদযাপন করে। হিলির এই বিজয় শুধু একটি অঞ্চলের স্বাধীনতা নয়--এটি ছিল বাঙালি জাতির স্বাধীনতা ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষার এক জ্বলন্ত প্রমাণ।

প্রতি বছর এই দিনটি বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করে হিলিবাসী। মিত্র ও মুক্তিবাহিনীসহ সব শহীদদের স্মরণে এখানে নির্মাণ করা হয়েছে স্মৃতিস্তম্ভ ‘সম্মুখ সমর’।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করেছে হিলি মুক্ত দিবস।

জেএইচ/ইডি