সব সময় সব খানে


মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২৬

১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২৬
১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সিরাজগঞ্জে আমবোঝাই ট্রাক খাদে, ব্যবসায়ী নিহত

>> তাড়াশে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

>> বন্ধুদের সঙ্গে গোসলে নেমে আর ফেরা হলো না সিয়ামের

>> খাল খনন শেষে বিপুল পরিমাণে টাকা ফেরত দিয়ে প্রশংসা কড়িয়েছেন দুই ইউএনও

>> হাতীবান্ধায় ফিলিং স্টেশনে মিলছে না পেট্রোল-অকটেন, কর্তৃপক্ষের দাবি ‘সরবরাহ বন্ধ’

>> বকশীগঞ্জে ২০০ অসহায় পরিবারের মাঝে ৩০ কেজি করে জিআর চাল বিতরণ

>> সিরাজগঞ্জে ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী গুরুতর আহত, ঢাকায় রেফার্ড

>> সিরাজগঞ্জে বাস চালককে জরিমানা করায় সড়ক অবরোধে বাজার স্টেশনে তীব্র যানজট

>> বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) অনুমতি ছাড়াই রায়গঞ্জে চলছে ‘মিনি পেট্রোল পাম্প

>> মাত্র এক হাজার টাকার বিরোধে যুবককে হত্যা মামলার মূল আসামি শাহীন গ্রেফতার

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

আগামীকাল ভূরুঙ্গামারী উপজেলা হানাদার মুক্ত দিবস 


আরিফুল ইসলাম জয়-কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

eshomoy.com || 2023-11-13 20:30:30
আগামীকাল ভূরুঙ্গামারী উপজেলা হানাদার মুক্ত দিবস 

আগামীকাল মঙ্গলবার  ১৪ নভেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে দেশের কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলা পাকহানাদার মুক্ত হয়। দেশের প্রথম হানাদার মুক্ত উপজেলা ভূরুঙ্গামারী।

তথ্যমতে, ৬ নং সেক্টর কমান্ডার এম কে বাশার, মিত্রবাহিনীর অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার জোসিসহ উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে সাহেবগঞ্জ সাব সেক্টরে সমবেত হন এবং ভূরুঙ্গামারী আক্রমণের পরিকল্পনা করেন।

আরও পড়ুন-রাফসানের সাথে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন জেফার

এসময় ভারতীয় ষষ্ঠ মাউন্টেন ডিভিশনের একটি ব্রিগেড এবং বিএসএফের কয়েকটি কোম্পানী ও মুক্তিযোদ্ধারা সামরিক সজ্জায় সজ্জিত হয়ে ভূরুঙ্গামারীর দক্ষিণ দিক খোলা রেখে পূর্ব, পশ্চিম ও উত্তর দিক থেকে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণের সিন্ধান্ত নেয়। পরিকল্পনা মোতাবেক ১৩ নভেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় বাহিনীর যৌথ নেতৃত্বে পাকবাহিনীর ওপর প্রবল আক্রমন শুরু হয়।

এর একদিন আগে থেকেই মিত্রবাহিনী কামান ও মর্টারের গোলা নিক্ষেপ সহ মিত্রবাহিনী বিমান হামলা শুরু করেছিলো। ১৩ নভেম্বর সারারাত যুদ্ধ শেষে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্র বাহিনীর প্রবল আক্রমণে টিকতে না পেরে পাকহানাদার বাহিনী পিছু হঠে এবং নাগেশ্বরী উপজেলা রায়গঞ্জ নদীর তীরে আশ্রয় নেয়। পাকবাহিনী পিছু হাটলে ঐদিন ভোরে মুক্তি বাহিনীরা জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে সিও অফিসের সামনে (বর্তমান উপজেলা পরিষদ) চলে আসে এবং বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলন করে।

সেখান থেকে আটক করা হয় ৩০/৪০ জন পাক সেনা এবং একটি কক্ষ থেকে ১৬ জন বীরাঙ্গনাকে উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে ৫/৬ জন বীরাঙ্গনা গর্ভবতী ছিলেন। প্রতিবছর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাব সহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন দিবসটি পালন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসুচি পালন করে থাকে। প্রতিবারের ন্যায় এবারো উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাব বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করেছে।

 

 

ইসময়/এনআই/এমআরএম