eshomoy.com || 2024-08-05 05:00
শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও পালিয়ে ভারতে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে সীমান্তবর্তী উপজেলা চৌগাছার ছাত্রজনতা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সাধারণ মানুষ নেমে পড়েন সড়কে। তারা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে বাজার পদক্ষিন করে স্বাধীনতা ভাস্কার্য মোড়ে একত্রিত হয়। বিকেল চারটার দিকে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক জহুরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিশাল একটি আনন্দ মিছিল বের হয়। মিছিলে বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের হাজারও নেতাকর্মী অংশ নেয়। এক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি নেতা জহুরুল ইসলাম বলেন, ছাত্রজনতার আন্দলোন যে কখনও বৃথা যায় না তার আরও একটি উদাহরণ ২০২৪ সাল। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার দুঃশাসনের অবসান ঘটেছে এখন দেশে যে সরকারই আসুক না কেন তারা রক্ত নিয়ে খেলা শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সকলের বিচার এই মাটিতেই করবে বলে আমি আশা করি।
এ দিকে শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশ ত্যাগের খবরে মিছিলে মিছিলে উত্তল হয়ে পড়ে গোটা উপজেলা সদর। বিকেল সাড়ে চার টার দিকে চৌগাছা মেইন বাসষ্টান্ডে বিক্ষুব্ধ জনতা উপজেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। পুরাতন কোটচাঁদপুর বাসষ্টান্ডে অবস্থিত স্বাধীনতা ভাস্কার্য বিক্ষুব্ধ জনতা ভাংচুর শুরু করলে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক জহুরুল ইসলাম খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান এবং তাদেরকে নিবৃত করেন। বিকেল ৫ টার দিকে তিনটি যাত্রীবাহি বাস ও দুটি বিজিবি পিকআপে বিজিবি সদস্যরা সীমান্তে যাওয়ার সময় উপজেলা সদরে ছাত্রজনতার সামনে পড়ে। তাদের দেখে ছাত্র জনতা মিছিল নিয়ে বিজিবির গাড়ির সামনে যান। এ সময় ছাত্রজনতার মিছিলের সাথে তারাও একাত্বতা ঘোষনা করেন করতালির মাধ্যমে। ছাত্রজনতা বিজিবি সদস্যদের বহনকরা গাড়ি পাহারা দিয়ে মিছিল এলাকা থেকে বের করে দেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মিছিলে মিছিলে উত্তল ছিলো গোটা চৌগাছা।