আগেদিনে থানকুনি পাতার খুব কদর ছিল। বাড়ির বয়োজ্যষ্ঠরা এই পাতার খুব গুরুত্ব দিতেন। শরীর সুস্থ রাখতে এই পাতার জুড়ি নেই। নিয়মিত থানকুনি পাতা খেলে এর উপকার বলে শেষ করা যাবে না। তবে পেটের কোনো সমস্যা হলে তাৎক্ষনিক এই পাতা খুব কাজে দেয়।
১৭ শতক থেকেই আফ্রিকা, জাভা, সুমাত্রাতেও ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয় এই পাতা। মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও এই পাতা বাটা খুবই উপকারী। পেটের সমস্যা কমাতে এই পাতার নামডাক বহু আগে থেকেই।
আরও পড়ুন-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৫৪
১. পেটের সমস্যা রোধ করতে : পেটের রোগ নিরাময় করতে থানকুনি পাতা জুড়ি নেই। নিয়মিত এই পাতা খেলে যেকোনও পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। থানকুনি পাতা হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়। পেটে আলসারের মতো রোগের প্রকোপ থেকেও স্বস্তি দিতে পারে। এছাড়া, পেট খারাপ বা ডায়রিয়ার চিকিৎসাতেও এই পাতাটিকে কাজে লাগানো হয়ে থাকে।

২. স্ট্রেচ মার্ক কমায় : বিভিন্ন গবেষণায় লক্ষ্য দেখা গেছে , থানকুনি পাতা স্ট্রেচ মার্ক কমাতে পারে। ধারণা করা হয়, থানকুনি পাতায় পাওয়া টারপিনয়েড শরীরে কোলাজেন উৎপাদন বাড়ায়। এটি নতুন করে স্ট্রেচ মার্ক তৈরি হতে বাধা দিতে পারে, সেইসাথে বিদ্যমান স্ট্রেচ মার্ক নিরাময়েও সাহায্য করতে পারে। এছাড়া, ক্ষত কিংবা পুড়ে যাওয়া নিরাময়ের ক্ষেত্রেও থানকুনি পাতা কার্যকরী।
৩. আমাশয়: আমাশয় থেকে আলসারও সেরে যায় এই পাতার গুণেই। আর নিয়মিত থানকুনি পাতা খেলে হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে। ক্রনিক আমাশয়ের ক্ষেত্রে খুবই ভালো থানকুনি পাতা।
আরও পড়ুন- রক্ত পরীক্ষা করা জরুরি কেন
৪. ঠান্ডা কাশি কমাতে: শীতে ঠান্ডার প্রকোপটা বেশি। এসময় থানকুনি পাতার রস খুবই উপকার। তবে মধুর সঙ্গে থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে খেলে কাশি এবং শ্বাসযন্ত্রের অন্যান্য অসুখ সারাতে সাহায্য করে। তুলসি ও গোল মরিচ দিয়ে থানকুনি পাতা খেলে তা ঠান্ডা এবং জ্বরও নিরাময় করে। গলা ব্যথা এবং কাশি নিরাময়ের জন্য, থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে সামান্য চিনি মিশিয়ে পান করুন।
ইসময়/একে/এমআরএম