দক্ষিণ আফ্রিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছেন যে, মহামারি করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন আবিষ্কারের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকাকে সাধুবাদ দেওয়ার পরিবর্তে তাদেরকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ শুরু করেছে বিভিন্ন দেশ, তার মূলত কারণ ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের পরপরই । যার পরিপ্রেক্ষিতে ওই বিবৃতি দেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।
ওমিক্রনে পুনরায় সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি রয়েছে এমন প্রমানই পাওয়া গেছে। অর্থাৎ এই ভ্যারিয়েন্টে কেউ আক্রান্ত হলে ঝুঁকি থাকে পুনরায় আবার আক্রান্ত হওয়ার। ওমিক্রনের নতুন ধরনটি খুবই "উদ্বেগজনক" বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) শুক্রবার এমনটাই বলেছে।
বর্তমানে ওমিক্রনে এই ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত করা হয়েছে ইউরোপে বেশ কয়েকজনের মধ্যে সহ - যুক্তরাজ্যে দুইজন, জার্মানিতে দুইজন, বেলজিয়ামে একজন এবং আরেকজন ইতালিতে আক্রান্ত হয়েছে। এই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত চেক প্রজাতন্ত্রেও একজন। এই ধরনে আক্রান্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত করা হয়েছে ইসরায়েলেও । ২৮ নভেম্বর (রোববার) মধ্যরাত থেকে সিদ্ধান্ত নেয় ভিনদেশিদের ইসরায়েলে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপের।
সেখানকার গণমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে এই নিষেধাজ্ঞা ১৪ দিন ধরে চলবে ।
ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে হংকংয়ে ও বতসোয়ানা ।
শত শত যাত্রীদের পরীক্ষা করা দেখা হচ্ছে যে তাদের মধ্যে কেউ নতুন ভ্যারিয়েন্ট দ্বারা আক্রান্ত কি না দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে নেদারল্যান্ডসে আসা ।
স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফলাফলে কোভিড-১৯ পজিটিভ এসেছে দুটি কেএলএম ফ্লাইটের প্রায় ৬১ জন যাত্রীর ।
ডাচ কর্মকর্তা সূত্রে এ খবর জানা যায়, তাদেরকে আরও পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য আমস্টারডামের শিফোল বিমানবন্দরের কাছে একটি হোটেলে কোয়ারেন্টিন করে রাখা হয়েছে।
বর্তমানে নেদারল্যান্ডসে রেকর্ড পরিমাণ করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছে।
দেশটিতে আংশিক লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানো হয় রোববার সন্ধ্যা থেকে।
প্রথমবারের মতো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে জানায়, গত ২৪ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকা, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের বিষয়টি।