সব সময় সব খানে


শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬

১৫ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সিরাজগঞ্জে যুবলীগের ঝটিকা মিছিলের পর চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

>> ভাঙ্গায় ট্রাকভর্তি ২৫০ বস্তা সার জব্দ: ডিলার আটক

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

আপনি পড়ছেন : জীবনযাত্রা

৪ সশস্ত্র গোষ্ঠীর আধিপত্যের লড়াইয়ে অতিষ্ঠ পার্বত্য -চট্টগ্রামবাসী


নিজস্ব প্রতিনিধি -ই সময়

eshomoy.com || 2022-03-21



৪ সশস্ত্র গোষ্ঠীর আধিপত্যের লড়াইয়ে অতিষ্ঠ পার্বত্য -চট্টগ্রামবাসী

 

 

 

পার্বত্য শান্তির চুক্তির দুই যুগ পরও অশান্ত দেশের পাহাড়ি অঞ্চল। চারটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর আধিপত্যের লড়াইয়ে ২৪ বছরে খাগড়াছড়িতেই প্রাণ হারিয়েছে এক হাজারের বেশি মানুষ। তাদের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ স্থানীয়রা।


পার্বত্য শান্তি চুক্তি অনুযায়ী, ১৯৯৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি খাগড়াছড়িতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার কাছে সন্তু লারমার নেতৃত্বে অস্ত্র জমা দেন শান্তি বাহিনীর সদস্যরা। এরপরই প্রসীত বিকাশ খিসার নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট। গত ২৪ বছরে পাহাড়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি এবং ইউপিডিএফ ভেঙে জেএসএস এমএন লারমা ও ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকসহ চারটি সশস্ত্র সংগঠন আত্মপ্রকাশ করে।

 
স্থানীয়দের অভিযোগ, হাঁস-মুরগি, ডিম-দুধ থেকে শুরু করে শিল্পকারখানা স্থাপন সব ক্ষেত্রেই চাঁদা দিতে হয় এসব সংগঠনকে। চাঁদা না দিলে করা হচ্ছে নির্যাতন, গুম ও হত্যা। সন্ত্রাসীদের নির্মূলে সরকারের কঠোর অভিযানের দাবি জেলাবাসীর।
 

খাগড়াছড়ি জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন মজুমদার বলেন, পাহাড়ের সশস্ত্র সংগঠনগুলো এখন বেপরোয়া। তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রমে অস্থির পাহাড়ি জনপদ। তাদের চাঁদাবাজি থেকে কেউ বাদ যাচ্ছে না। সাম্প্রতিক সময়ে তারা নিরাপত্তা বাহিনীকেও চ্যালেঞ্জ করছে।
 
 
বিভিন্ন সময় সেনা অভিযানে পাহাড়ি দুর্গম এলাকা থেকে উদ্ধার হচ্ছে অস্ত্রের গুদাম, বের হচ্ছে সশস্ত্র ক্যাম্পে প্রশিক্ষণের খবর। তবে, এসবের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করে প্রতিপক্ষকে দুষছে প্রতিটি সংগঠন। ইউপিডিএফের কেন্দ্রীয় সভাপতি শ্যামল কান্তি চাকমা বলেন, চোরাকারবারিরা অস্ত্রগুলো চীন অথবা মিয়ানমার সীমান্ত থেকে এনে ভারতের মিজোরাম পার করে পার্বত্য চট্টগ্রামে পৌঁছে দিচ্ছে। ওখান থেকে আঞ্চলিক দলগুলো কিনে নিচ্ছে। এতে আমাদের কোনো হাত নেই। জেএসএসের কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুধাকর ত্রিপুরা বলেন, ‘আমরা সব সময় শান্তি, সমৃদ্ধির পক্ষে।’
 

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে একে অপরের সঙ্গে প্রায়ই লড়ছে সংগঠনগুলো। তাদের হামলায় প্রাণ হারাচ্ছেন সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও। জেলা পুলিশের দাবি, এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
 

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ বলেন, ‘এরই মধ্যে আমাদের হাতে যে মামলাগুলো আছে, তা তদন্তের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়াই এনে আদালতে অভিযোগপত্র পেশ করেছি। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপরাধীদের সাজা নিশ্চিত করা হচ্ছে।’
 

জেলা পুলিশের তথ্যমতে, গত ২৪ বছরে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হয়েছেন এক হাজারের বেশি মানুষ। আর গুম হয়েছে ১৫০০-র বেশি।