আজ ২৮ অক্টোবর বিকাল চারটায়
এ জে চৌধুরী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠ থেকে শুরু হয়ে শেষ হয় কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে।
কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের যে ঘটনা ঘটছে তা কারোই কাম্য নয়। তাই এখানে যারা উপস্থিত আছে বিভিন্ন ধর্মের প্রধান আমরা আশা করি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের সূচনা আমরাই তৈরি করব আর যারা বিভিন্নভাবে হামলা যে ঘটনা ঘটছে ।
তাই আমি মনে করি বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সকলকে একতাবদ্ধ হয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে এর মাধ্যমে একটি সোনার বাংলাদেশ গড়ার সম্ভব। যারা এই হামলার সাথে সংশ্লিষ্ট আছেন অচিরেই তাদের বিচারের সম্মুখীন হতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এক চুল পরিমান ছাড় দিবেন না। আমাদের মাননীয় ভূমিমন্ত্রী কঠোর ভাষায় বলেছেন যারা কর্ণফুলীর মধ্য বিশৃঙ্খলা তৈরি করবেন তাদের আইনের আওতায় এনে সঠিক বিচার করা হবে। আর যাতে কখনই তারা সাহস পায় না এ ধরনের হামলার ঘটাতে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক চৌধুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা সুলতানা , কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুলাল মাহমুদ, কর্ণফুলী থানার তদন্ত অফিসার মেহেদী হাসান, কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন হায়দার ,
কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান দিদারুল আলা, কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বেগম নিশি, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বাবুল নাথ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মুহাম্মদ আলমগীর,জুলধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ রফিক, উপজেলা মৎস্য ও প্রাণি কর্মকর্তা রোমান তালুকদার,
বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএন ইসলাম, এ জে চৌধুরী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সুলতান টিপু , চরলক্ষ্যা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুল তালেব চৌধুরীসহ বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের প্রধান শিক্ষকগন ছাড়াও বিভিন্ন মসজিদ মন্দিরে উপস্থিত ছিলেন।