সব সময় সব খানে


রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : মুক্তমত

ইসলামে নাশকতা সৃষ্টি কার্যক্রমকে হারাম ঘোষণা কর হয়েছে


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-11-10
ইসলামে নাশকতা সৃষ্টি কার্যক্রমকে হারাম ঘোষণা কর হয়েছে
নাশকতা সৃষ্টিকারীরা সমাজের শান্তি ও মানবতার শত্রু।

নাশকতা সৃষ্টিকারীরা সমাজের শান্তি মানবতার শত্রু ইসলাম তাদের কার্যক্রমকে হারাম ঘোষণা করেছে এবং কঠোর শাস্তির বিধান দিয়েছে একজন সত্যিকারের মুসলমান কখনোই অন্যের প্রাণ, সম্পদ বা সমাজের শান্তি নষ্ট করতে পারে না আরবি ফ্যাসাদ শব্দের অর্থ কল্যাণের পরিপন্থি কাজ করা মানুষের জন্য কল্যাণকর নয় জেনেও কোনো কাজ করলে, তা ইসলামের দৃষ্টিতে ফ্যাসাদ বা বিশৃঙ্খলা অশান্তি

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করতে চেয়ো না নিশ্চয়ই আল্লাহ বিপর্যয় সৃষ্টিকারীকে ভালোবাসেন না’ (সুরা কাসাস, আয়াত : ৭৭)

 

পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করা হয় সন্ত্রাস, নৈরাজ্য নাশকতা সৃষ্টির মাধ্যমে; ইসলামের দৃষ্টিতে জঘন্য হারাম আর যদি তা মানুষ হত্যার পর্যায়ে চলে যায়, তাহলে তো আরও ভয়ংকর বিষয় পবিত্র কোরআনে নিরীহ নিরপরাধ মানুষকে হত্যা গোটা মানবতাকে হত্যার শামিল বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে

 

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন

 

কারণেই আমি বনি ইসরাইলের ওপর এই আদেশ দিলাম, যে ব্যক্তি কাউকে হত্যা করা কিংবা জমিনে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করা ছাড়া যে কাউকে হত্যা করল, সে যেন সব মানুষকে হত্যা করল আর যে তাকে বাঁচাল, সে যেন সব মানুষকে বাঁচাল আর অবশ্যই তাদের নিকট আমার রাসুলগণ সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ নিয়ে এসেছে তা সত্ত্বেও এরপর জমিনে তাদের অনেকে অবশ্যই সীমা লঙ্ঘনকারী (সুরা মায়িদা, আয়াত : ৩২)

 

নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভাষায় কোনো নিরপরাধ মুসলিমকে হত্যা করা কুফরির পর্যায়ের গুনাহ বলে আখ্যা দিয়েছেন হজরত আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কোনো মুসলিমকে গালি দেয়া ফাসেকি কাজ (জঘন্য পাপ) আর কোনো মুসলিমকে হত্যা করা কুফরি (বুখারি, হাদিস : ৭০৭৬)

 

যে ব্যক্তি অন্যের প্রাণ, সম্পদ বা সম্মানে আঘাত করে, সে প্রকৃত মুসলমান নয় নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন

 

মুসলিম সেই ব্যক্তি, যার জিহ্বা হাত থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১০)

 

সমাজে প্রত্যেকের দায়িত্ব হলো ন্যায়ের পক্ষে নাশকতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন

 

তোমাদের মধ্যে যে মন্দ কাজ দেখবে, সে যেন তা হাত দ্বারা পরিবর্তন করে; তা না পারলে মুখে, আর তাও না পারলে অন্তরে ঘৃণা করে-- এটাই হলো দুর্বলতম ঈমান (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৪৯)