গত ৩০শে অক্টোবর নুরুল হক নুর এবং রাশেদ খানের স্বাক্ষরে গাজিপুর জেলা গনঅধিকার পরিষদের পূর্নাঙ্গ কমিটি অনুমোদন হওয়ার পর থেকেই জেলার পুরোনো নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার লক্ষ্য করা গেছে। অনুমোদিত কমিটিকে আওয়ামিলীগেরঅভয়ারণ্য বলেছেন অনেকেই। নবগঠিত কমিটিতে দপ্তর সম্পাদক হিসেবে পদ পাওয়া আসাদুজ্জামান নাইম ওরফে নাইম ফকির পিতা - মৃত লতিফ ফকির ওরফে আব্দুল লতিফ জেলা ছাত্রলীগের সক্রীয় কর্মী ছিলেন বলে গত ০৮ই আগষ্ট ২৫ তারিখে শ্রীপুর মডেল থানায় দায়েরকৃত এক অভিযোগ সুত্রে প্রমান পাওয়া যায়। এছাড়াও গনঅভ্যুত্থানের আন্দোলনে নিহত জনৈক কাওসার মিয়া হত্যা মামলারও এজাহারভুক্ত আসামি নাইম। কমিটিতে যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে স্থান পাওয়া হাসান মাহমুদ শ্রীপুর উপজেলাধীন গাজিপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সক্রীয় নেতা ছিলেন। কমিটিতে কার্য্যকরী সদস্য হিসেবে স্থান পাওয়া উজ্জ্বল মিয়ার সাথেও আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক, সাবেক এমপি ইকবাল হোসেন সবুজ এবং গাজিপুর সিটির সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের ঘনিষ্ঠতার প্রমান পাওয়া গেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে গনঅধিকার পরিষদ গাজিপুর জেলার পদবঞ্চিত একাধিক নেতা বলেন কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল হক নুর এর আত্নীয় মান্নান দেওয়ান এবং কেন্দ্রীয় নেতা পাঠান আজাহার বিপুল পরিমান অর্থের লেনদেনের মাধ্যমে গনহত্যার আসামী এবং আওয়ামীলীগের লোকদেরকে নবগঠিত কমিটিতে স্থান করে দিয়েছে। গনঅধিকার পরিষদের রাজনীতি একদম শুরুর থেকে যারা রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে তাদের অনেকেই মান্নান এবং পাঠান আজাহারের বিভিন্ন অপকর্ম ও কমিটি বানিজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার কারনে পূর্নাঙ্গ কমিটিতে স্থান পায়নি। উল্লেখ্য যে, নবগঠিত কমিটিতে পাঠান আজাহার সভাপতি এবং মান্নান দেওয়ান সিনিয়র সহসভাপতি হিসেবে স্থান পেয়েছেন৷ আসাদুজ্জামান নাইম, হাসান মাহমুদ এবং উজ্জল মিয়া ছাড়াও আরোও অনেকের বিরুদ্ধে আওয়ামী রাজনীতির স্পষ্ট প্রমান রয়েছে বলে তারা দাবি করেন।