সব সময় সব খানে


মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২৬

১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২৬
১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সিরাজগঞ্জে আমবোঝাই ট্রাক খাদে, ব্যবসায়ী নিহত

>> তাড়াশে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

>> বন্ধুদের সঙ্গে গোসলে নেমে আর ফেরা হলো না সিয়ামের

>> খাল খনন শেষে বিপুল পরিমাণে টাকা ফেরত দিয়ে প্রশংসা কড়িয়েছেন দুই ইউএনও

>> হাতীবান্ধায় ফিলিং স্টেশনে মিলছে না পেট্রোল-অকটেন, কর্তৃপক্ষের দাবি ‘সরবরাহ বন্ধ’

>> বকশীগঞ্জে ২০০ অসহায় পরিবারের মাঝে ৩০ কেজি করে জিআর চাল বিতরণ

>> সিরাজগঞ্জে ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী গুরুতর আহত, ঢাকায় রেফার্ড

>> সিরাজগঞ্জে বাস চালককে জরিমানা করায় সড়ক অবরোধে বাজার স্টেশনে তীব্র যানজট

>> বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) অনুমতি ছাড়াই রায়গঞ্জে চলছে ‘মিনি পেট্রোল পাম্প

>> মাত্র এক হাজার টাকার বিরোধে যুবককে হত্যা মামলার মূল আসামি শাহীন গ্রেফতার

আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

মেজাজ হারিয়ে ফেলেন মীর্জা ফখরুলসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা


কবীর নয়ন – ইসময় (স্টাফ রিপোর্টার)

eshomoy.com || 2021-11-06 22:03:30
মেজাজ হারিয়ে ফেলেন মীর্জা ফখরুলসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা




বিএনপির মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বক্তব্য দেওয়ার সময় মঞ্চের পাশে এসে কর্মীদের অতিরিক্ত হট্টগোল, চেচামেচির কারণে  ক্ষুব্ধ হয়েছেন ।এ সময় মেজাজ হারিয়ে ডায়াস থেকে চলে যান বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফকরুলসহ দলের শীর্ষ নেতারা। পরে সবাই চুপ করলে তিনি আবার ফিরে এসে বক্তব্য শেষ করেন।


 রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শনিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য তরিকুল ইসলামের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে 'তরিকুল ইসলাম স্মৃতি সংসদ' আয়োজিত আলোচনা সভায় এ ঘটনা ঘটেছে। স্মরণসভায় হাজির হয়েছিলেন হাজারো নেতাকর্মী।


ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের নিচতলার মিলনায়তনে প্রয়াত নেতা তরিকুল ইসলামের স্মরণসভা উপলক্ষে  সহস্রাধিক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে তিল পরিমাণ ঠাঁই ছিল না। নেতারা যখন বক্তব্য দেন তখন পেছনের দিকে এবং মূল মঞ্চের দুই পাশে কর্মীরা ব্যাপক হট্টগোল শুরু করে । 

পরিস্থিতি সামাল দিতে দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু ও যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বক্তব্য দিতে এসে কর্মীদের  কানাঘুষা হট্টগোল বন্ধ করতে বললে কিছু কর্মী সেদিক ও  কর্ণপাত করেনি। দলের এই শীর্ষ নেতারা একপর্যায়ে বলেন, কথা শুনতে না চাইলে এই কক্ষ থেকে বাইরে চলে যান। অথবা আপনারা মাইকে এসে কথা বলেন। আমরা মঞ্চে বসে শুনি। 


বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সভাপতির বক্তব্য দেওয়ার সময়েও একই অবস্থার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ডায়াস থেকে তিনি নিজের আসনে বসে পড়েন। হট্টগোল দেখে মহাসচিব বলেন, সমস্যা হচ্ছে আমরা কেন এরকম সভায় আসি সেটা বোধহয় আমরা নিজেরাও জানি না। 


এটা এমন একজন নেতার স্মরণ সভা, যিনি আমাদের অতীতে নেতৃত্ব দিয়েছেন, পথ দেখিয়েছেন এবং সারাটা জীবন সংগ্রাম করেছেন, লড়াই করেছেন। তার স্মরণসভায় এসে আমাদেরকে এই সব সমস্যা সমাধান করতে হয়।  ডানদিকে হট্টগোলকারীদের দিকে তাকিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, সমস্যাটা কী? এভাবে আমি কথা বলব না। 

এ সময় সঞ্চালক শামীমুর রহমান মাইকে এসে কর্মীদের চুপ থাকার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, কেউ কথা বলবেন না। পরে ডায়াসে গিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দয়া করে শান্ত হয়ে থাকেন। তা না হলে আমাদের এখানে থাকার দরকার নাই, কোনো প্রয়োজন নাই। এভাবে কিছু হয় না। 

ছাত্রদল-যুবদলের প্রতি আহ্বান জানাতে চাই, আপনারা নিজেরা কিছু জানুন। নিজেদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখুন। তা না হলে কোনো কিছু অর্জন করা সম্ভব হবে না।

বিএনপি মহাসচিবের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা নিতাই রায় চৌধুরী, আমান উল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, জয়ন্তু কুমার কুন্ড, যুবদলের সাইফুল আলম নিরব, স্বেচ্ছাসেবক দলের মোস্তাফিজুর রহমান, আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, কৃষক দলের শহিদুল ইসলাম বাবুল, ছাত্রদলের ফজলুর রহমান খোকন প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষ হলে নেতাকর্মীরা একসঙ্গে বের হতে গিয়ে ইনস্টিটিউটের মূল গেইটের একটা গ্লাস ভেঙে ফেলেন এবং এতে কর্তব্যরত একজন নিরাপত্তাকর্মী আহত হয়েছে বলে জানা যায় ।