সব সময় সব খানে


মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২৬

১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২৬
১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> তাড়াশে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

>> বন্ধুদের সঙ্গে গোসলে নেমে আর ফেরা হলো না সিয়ামের

>> খাল খনন শেষে বিপুল পরিমাণে টাকা ফেরত দিয়ে প্রশংসা কড়িয়েছেন দুই ইউএনও

>> হাতীবান্ধায় ফিলিং স্টেশনে মিলছে না পেট্রোল-অকটেন, কর্তৃপক্ষের দাবি ‘সরবরাহ বন্ধ’

>> বকশীগঞ্জে ২০০ অসহায় পরিবারের মাঝে ৩০ কেজি করে জিআর চাল বিতরণ

>> সিরাজগঞ্জে ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী গুরুতর আহত, ঢাকায় রেফার্ড

>> সিরাজগঞ্জে বাস চালককে জরিমানা করায় সড়ক অবরোধে বাজার স্টেশনে তীব্র যানজট

>> বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) অনুমতি ছাড়াই রায়গঞ্জে চলছে ‘মিনি পেট্রোল পাম্প

>> মাত্র এক হাজার টাকার বিরোধে যুবককে হত্যা মামলার মূল আসামি শাহীন গ্রেফতার

>> ফরিদপুরে মামুনুল হকের আগমন উপলক্ষে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

মৃত ব্যাক্তিকে ডেপুটি হাই কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেন খালেদা জিয়া


এম,এস খান - ইসময়

eshomoy.com || 2021-12-08
 মৃত ব্যাক্তিকে ডেপুটি হাই কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেন খালেদা জিয়া

 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে বর্বরভাবে যারা খুন করে, তাদেরই একজন অন্যতম খুনি আজিজ পাশা -বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। বিশেষ আস্থাভাজন ব্যক্তি হয়ে উঠেছিল সে খালেদা জিয়ার কাছে পরবর্তীতে। খুনি আজিজ পাশাকে মরণোত্তর পুরস্কার দেয় খালেদা জিয়া ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর । ৭ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) রাতে  এ কথা বলেন তিনি ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইয়েড পেজে।

 

 

 

সজীব ওয়াজেদ জয় লেখেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর, খুনি আজিজ পাশাকে প্রথমে চাকরি দেয় জিয়াউর রহমান উপহার স্বরূপ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। জিয়ার পৃষ্ঠপোষকতায় ইতালি, কেনিয়া ও আর্জেন্টিনাতে কূটনীতিক হিসেবে আজিজ পাশা দায়িত্ব পালন করে। এরপর, আরও কাছে টেনে নেয় তাকে ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়া সরকার গঠনের পর।  জিম্বাবুয়ের ডেপুটি হাই কমিশনার হিসেবে নিয়োজিত ছিল সে, খালেদার একান্ত বিশ্বাসভাজন কর্মকর্তা হিসেবে।

 

 

 

তবে, আজিজ পাশাকে পদচ্যুত করা হয় এবং তাকে দেশে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয় ১৯৯৬ সালে আওয়ামী সরকার গঠন করার পর। কিন্তু সে দেশে ফেরেনি। খুনি আজিজ জিম্বাবুয়েতে আত্মগোপন করে। ২০০১ সালে জিম্বাবুয়েতেই মারা যায় সে, শারীরিক অসুস্থতার কারণে অবশেষে।

 

 

 

কিন্তু আবারো প্রধানমন্ত্রী হয় খালেদা জিয়া ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসার পর। মৃত আজিজ পাশাকে আবারো চাকরিতে বহাল করে সে যাবতীয় নিয়ম ভঙ্গ করে। মৃত এই খুনির চাকরি ফিরিয়ে দিয়ে, তারপর অবসরে পাঠানো হয় মরণোত্তার। এমনকি তাকে যাবতীয় আর্থিক সুবিধা প্রদান করে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া 'মরণোত্তর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা' হিসেবে ঘোষণা করে।