জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে বর্বরভাবে যারা খুন করে, তাদেরই একজন অন্যতম খুনি আজিজ পাশা -বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। বিশেষ আস্থাভাজন ব্যক্তি হয়ে উঠেছিল সে খালেদা জিয়ার কাছে পরবর্তীতে। খুনি আজিজ পাশাকে মরণোত্তর পুরস্কার দেয় খালেদা জিয়া ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর । ৭ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) রাতে এ কথা বলেন তিনি ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইয়েড পেজে।
সজীব ওয়াজেদ জয় লেখেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর, খুনি আজিজ পাশাকে প্রথমে চাকরি দেয় জিয়াউর রহমান উপহার স্বরূপ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। জিয়ার পৃষ্ঠপোষকতায় ইতালি, কেনিয়া ও আর্জেন্টিনাতে কূটনীতিক হিসেবে আজিজ পাশা দায়িত্ব পালন করে। এরপর, আরও কাছে টেনে নেয় তাকে ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়া সরকার গঠনের পর। জিম্বাবুয়ের ডেপুটি হাই কমিশনার হিসেবে নিয়োজিত ছিল সে, খালেদার একান্ত বিশ্বাসভাজন কর্মকর্তা হিসেবে।
তবে, আজিজ পাশাকে পদচ্যুত করা হয় এবং তাকে দেশে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয় ১৯৯৬ সালে আওয়ামী সরকার গঠন করার পর। কিন্তু সে দেশে ফেরেনি। খুনি আজিজ জিম্বাবুয়েতে আত্মগোপন করে। ২০০১ সালে জিম্বাবুয়েতেই মারা যায় সে, শারীরিক অসুস্থতার কারণে অবশেষে।
কিন্তু আবারো প্রধানমন্ত্রী হয় খালেদা জিয়া ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসার পর। মৃত আজিজ পাশাকে আবারো চাকরিতে বহাল করে সে যাবতীয় নিয়ম ভঙ্গ করে। মৃত এই খুনির চাকরি ফিরিয়ে দিয়ে, তারপর অবসরে পাঠানো হয় মরণোত্তার। এমনকি তাকে যাবতীয় আর্থিক সুবিধা প্রদান করে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া 'মরণোত্তর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা' হিসেবে ঘোষণা করে।