ঝড়ো হাওয়া কিংবা কালবৈশাখী সাধারণত বাংলাদেশে মে মাসে বেশি হয়। মে আবার দ্বিতীয় উষ্ণতম মাস। এ মাসে ঘূর্ণিঝড়ের প্রবণতাও আছে। দুই বছর ধরে দুটি বড় ঘূর্ণিঝড় হয়েছে মে মাসেই।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস, চলতি মে মাসেও একটি নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। সঙ্গে থাকতে পারে কয়েক দফায় তাপপ্রবাহ। এবং তা তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আবার কালবৈশাখীও আঘাত হানতে পারে কয়েকবার।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেয়া, মে মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতি মাসের শুরুতে আবহাওয়া অধিদপ্তর মাসব্যাপী আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেয়।
এ
মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। তাদের দেয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে তিনটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। যার মধ্যে এক থেকে দুটি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। আবার এ নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়েও রূপ নিতে পারে।
কবে হতে পারে সেই ঘূর্ণিঝড়—এমন প্রশ্নের জবাবে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ বলেন, ‘অন্তত মাসের প্রথম দুই সপ্তাহের মধ্যে সম্ভাবনা নেই, তা বলা যায়। তবে নিম্নচাপ যে হবে, তা নিশ্চিত। সেটা মাসের শেষের দিকে হতে পারে।
গত
বছরের ২৬ মে প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমাল বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানে। এতে উপকূলের ১৯টি জেলার ৪৬ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২০২৩ সালের ১৪ মে ঘূর্ণিঝড় মোখা বাংলাদেশে আঘাত হানে।
চলতি মাসে দুই থেকে তিনটি মাঝারি থেকে তীব্র কালবৈশাখী বয়ে যেতে পারে। আর তিন থেকে পাঁচদিন হালকা কালবৈশাখী হতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
মে
মাসে বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা থাকে ৩২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ মাসে এক থেকে তিনটি মৃদু তাপপ্রবাহ ও এক থেকে দুটি তীব্র তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা আছে।
এ
মাসে নদ-নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। তবে বিচ্ছিন্ন ভারি বৃষ্টির জন্য দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের নদীগুলোয় পানি বাড়তে পারে।