গাজীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও সৎ ছেলেকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর পলাতক রয়েছে অভিযুক্ত মফিজ। তাকে আইনের আওতায় আনার আশ্বাস পুলিশের।
মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে দেখতে হলো নাতি-মেয়ের রক্তাক্ত মৃতদেহ। পাশের ঘরে থেকেও তাদের রক্ষা করতে না পারায় আক্ষেপের শেষ নেই বৃদ্ধা জেলেকার। পারিবারিক কলহের জেরে ২০ মার্চ (রোববার) সন্ধ্যায় গাজীপুর মহানগরীর পূর্ব কলমেশ্বর এলাকায় কৌশলে স্ত্রী রহিমা ও ছেলে রোকনকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ান রিকশাচালক মফিজ।
রাতে প্রতিবেশীদের সবার ঘরের ছিটকিনি লাগিয়ে গলা কেটে হত্যা করে স্ত্রী ও ছেলেকে। পরে পালিয়ে যান তিনি। সোমবার সকালে মা-ছেলের গলাকাটা লাশ দেখতে পান স্বজন ও প্রতিবেশীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। স্থানীয়রা বলেন, পায়ের ব্যথার ওষুধ বলে ঘুমের ওষুধ খাওয়ায় খুন করেছে। ঘরের ছিটকিনি আটকানো ছিল। বাচ্চার চিৎকারে আমরা সবাই উপস্থিত হয়ে এই অবস্থা দেখছি।
ঘটনার পর পলাতক রয়েছে অভিযুক্ত মফিজ। তাকে আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার ইলতু্ৎ মিশ বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ ময়নাতদন্তের জন্যে পাঠিয়েছি। অভিযুক্তকে আটক করার জন্যে অভিযান অব্যাহত আছে।
টাঙ্গাইলের মধুপুরের বাসিন্দা রিকশা চালক মফিজের তৃতীয় স্ত্রী রহিমা তার ছেলে রোকনকে নিয়ে গাজীপুরে ভাড়া বাসায় থাকতেন।