গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করার মার্কিন পরিকল্পনার প্রতি হামাসের প্রতিক্রিয়াকে সমর্থন করেছে ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ। এটি হামাসের একটি মিত্র গোষ্ঠী যারা হামাসের পাশাপাশি ইসরাইলিদের জিম্মি করে রেখেছে। শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) তারা হামাসের প্রতিক্রিয়াকে সমর্থন জানায়।
গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করার মার্কিন পরিকল্পনার প্রতি হামাসের প্রতিক্রিয়াকে সমর্থন করেছে ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ। এটি হামাসের একটি মিত্র গোষ্ঠী যারা হামাসের পাশাপাশি ইসরাইলিদের জিম্মি করে রেখেছে। শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) তারা হামাসের প্রতিক্রিয়াকে সমর্থন জানায়।
শনিবার রয়টার্স বলছে, এটি এমন একটি পদক্ষেপ যা উভয় গোষ্ঠীর হাতে জিম্মি থাকা ইসরাইলিদের মুক্তির পথ প্রশস্ত করতে সহায়তা করতে পারে।
এক
বিবৃতিতে ইসলামিক জিহাদ বলেছে, ট্রাম্পের পরিকল্পনার প্রতি হামাসের (প্রতিক্রিয়া) ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর অবস্থানকে প্রতিনিধিত্ব করে এবং ইসলামিক জিহাদ এই সিদ্ধান্তের দিকে পরিচালিত পরামর্শে দায়িত্বশীলভাবে অংশগ্রহণ করেছে।
আরও পড়ুন:সিবিএস নিউজের প্রতিবেদন / নেতানিয়াহুর অনুমোদনেই গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় হামলা
ইরান-সমর্থিত ইসলামিক জিহাদ গোষ্ঠীকে হামাসের চেয়ে ছোট কিন্তু আরও কট্টরপন্থি হিসেবে দেখা হয়।
এদিকে, গাজা নিয়ন্ত্রণকারী ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনার কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ গ্রহণ করেছে। যার মধ্যে রয়েছে যুদ্ধের অবসান, ইসরাইলের প্রত্যাহার এবং ইসরাইলি জিম্মি ও ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হামাসের অবস্থান এবং ইসলামিক জিহাদের সমর্থন গাজার জনগণের মনোবলকে জাগিয়ে তুলতে পারে। যারা গত দুই বছর ধরে ইসরাইলি হামলায় একের পর এক যুদ্ধবিরতি ব্যর্থ হতে দেখেছে, মানবিক সংকট তৈরি হতে দেখেছে এবং লক্ষ লক্ষ লোককে বাস্তুচ্যুত হতে দেখেছে।
৩২
বছর বয়সী ফিলিস্তিনি সাউদ কার্নেতা বলেন, ‘এটা খুশির খবর, এটা যারা এখনও বেঁচে আছেন তাদের বাঁচার আশা। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে তারা (হামাস) একমত হয়েছে। এটাই যথেষ্ট। কারণ আমরা ক্লান্ত, আমি ঈশ্বরের নাম করে বলছি, আমরা ক্লান্ত, খুব ক্লান্ত।’
এদিকে, ফিলিস্তিনিরা এ বিষয়ে সতর্ক ছিলেন। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ শেষ করার যেকোনো পরিকল্পনা থেকে সরে আসবেন।
এদিকে, ইসরাইলি সেনাবাহিনীর আরবি মুখপাত্র শনিবার গাজা শহরের বাসিন্দাদের জন্য একটি সতর্কতা জারি করে বলেছেন, এটি একটি বিপজ্জনক যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে রয়ে গেছে।
তিনি এক্সে একটি পোস্টে বাসিন্দাদের উপত্যকার উত্তরে যাওয়া বা সামরিক বাহিনী পরিচালিত যেকোনো এলাকার কাছাকাছি যাওয়া এড়াতে অনুরোধ করেছেন।
অন্যদিকে, ইসরাইলি হামলা বন্ধ করতে ট্রাম্পের নির্দেশের পরও শনিবার ভোরে ইসরাইলি বিমান হামলায় গুলিতে ছয়জন নিহত হয়েছেন।