সব সময় সব খানে


রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : সারাদেশ

অরক্ষিত হয়ে পড়ছে রোহিঙ্গাক্যাম্প


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-10-05
অরক্ষিত হয়ে পড়ছে রোহিঙ্গাক্যাম্প
সংগৃহীত ছবি

নানা কারণে দিন দিন অরক্ষিত হয়ে পড়ছে উখিয়া টেকনাফের রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পগুলো ফলে অপরাধ কর্মকাণ্ড কোনভাবেই দমন করা সম্ভব হচ্ছে না প্রতিদিনই নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটছে শিবিরগুলোতে কাঁটাতারের বেড়া কেটে ফেলা, ক্যাম্পে স্থাপিত ৭০০ সিসিটিভির একটিও এখন আর সচল না থাকাসহ আরো অনেক কারণে বর্তমান ক্যাম্পগুলো অরক্ষিত হয়ে পড়ছে

সূত্র জানায়, মিয়ানমার থেকে নির্যাতিত হয়ে প্রায় লাখ রোহিঙ্গা ২০১৭ সালে কক্সবাজারের উখিয়া টেকনাফ উপজেলায় আশ্রয় নেয় আট বছরে সেই সংখ্যা বাড়তে বাড়তে এখন দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ লাখে উখিয়ার পাহাড়ি জনপদের হাজার একরজুড়ে গড়ে ওঠা ৩৩টি ক্যাম্প নিয়ন্ত্রণে রাখতে সে সময় নির্মাণ করা হয়েছিল কাঁটাতারের বেড়া

কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাড়তে থাকে ইতিমধ্যে কিছু ক্যাম্পে কেটে ফেলা হয়েছে কাঁটাতার এর মধ্যে বালুখালী পানবাজার ক্যাম্পে অন্তত ছয়টি পয়েন্টে কেটে তৈরি করা হয়েছে গোপন পথ স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব কাজ করছে রোহিঙ্গারাই

এই গোপন পথ ব্যবহার করে তারা ক্যাম্পের বাইরে জেলার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ছে এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পড়তে হচ্ছে নতুন চ্যালেঞ্জে

বিজিবি জানায়, দুষ্কৃতকারীরা কাঁটাতার কেটে ফেলার পর সেগুলো আর মেরামত করা হয়নি ফলে ওই পথ ব্যবহার করে কিছু রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাইরে চলে যাচ্ছে এমনকি স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতকারীও তাদের সঙ্গে জড়িয়ে অপরাধে অংশ নিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতে, স্থানীয়দের প্রশ্রয়েই রোহিঙ্গারা এই সুযোগ পাচ্ছে

কেবল কাঁটাতার নয়, এপিবিএন-এর তথ্য অনুযায়ী ক্যাম্পে স্থাপিত ৭০০ সিসিটিভির একটিও এখন আর সচল নেই এসব ধ্বংসাত্মক তৎপরতার মূল কারণ মাদক অস্ত্রের কারবার বলে স্বীকার করেছেন রোহিঙ্গা নেতারাও
উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জিয়াউল হক জানান, ক্যাম্প থেকে অনেক রোহিঙ্গা চুরি করে বের হয় আমরা তাদের গ্রেপ্তার করে আবার ক্যাম্পে ফেরত পাঠায় তারা ক্যাম্প থেকে বের হয়ে অনেক সময় নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ে

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, দিন দিন রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো অরক্ষিত হয়ে পড়ছে তাই এখন জরুরি হয়ে পড়েছে শক্ত নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা না হলে ক্যাম্পের পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিবে