বন্দর নারায়ণগঞ্জ রোডে ১৮ বছর বয়সী এক কিশোরীকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণের ভিডিও প্রকাশের হুমকি দিয়ে আটক করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় বন্দর থানায় দুইজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পাঁচ থেকে সাতজনকে আসামি করে তাদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযোগ দায়ের করেন। একটি অভিযোগ.
এ মামলার আসামিরা হলেন অয়ন (২৩) ও তার সহকারী সাফাত। দুজনই বন্দর জেলার কড়াগাছিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এর আগে, গত মঙ্গলবার (৩০ বহ্মণ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বন্দর জেলার নরপদীর ক্রিয়াভিটা সেতুর পাদদেশে যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। ধর্ষণের ঘটনার পর থেকে অয়ন মোশেত ও তার সহযোগী পলাতক রয়েছে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার দিকে হানান মিয়ার দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে তিনি ও তার চাচাতো ভাই শ্যাম (১৩ বছর) নরপদী জেলার কড়াগাছিয়া ইউনিয়নের নাহিদ মিয়ার ছেলে। , একসঙ্গে এসেছিলো. নরপদী, বন্দর এলাকায়, নরপদী তার গাড়ি দিয়ে মেয়েটিকে ব্লক করে এবং তাকে স্কুলের সামনে নিয়ে যায়।
এরপর সেফাত ও অয়নসহ অজ্ঞাতপরিচয় পাঁচ থেকে সাতজন ওই নারীর হাত-পা বেঁধে তার জামাকাপড় ছিঁড়ে একটি হৃদয়বিদারক ভিডিও ধারণ করে।
গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় (৩০ বহর) ভিকটিম তরুণী গারমোরায় তার চাচাতো ভাইয়ের বাসায় যাওয়ার সময় সাফাত ভিকটিমের চাচাতো ভাইকে ফোন করে নরপদী ব্রিজে আসতে বলে। মেয়েটি সেতুতে আসবে না বলে জানালে সেফাত ক্ষিপ্ত হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবর ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।
পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ওই তরুণী ক্রাভিটা ব্রিজের সামনে বন্দর থানায় এলে ওই সময় সাফাতের সঙ্গে থাকা আয়ান ওই নারীর প্রতি খারাপ আলামত দেখায়।
এ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অয়ন ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে সাফাতসহ অজ্ঞাত পাঁচ-সাতজনের সহায়তায় পালিয়ে যায়।
ঘটনার তদন্তকারী বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক শওকত আলী জানান, ভিকটিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।