প্রতিদিনকার অত্যন্ত জরুরি পণ্য এই কাঁচা মরিচের কেজি খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৪২০-৪০০ টাকায়। আর পাইকারি বাজারে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে এখন ৩৪০ টাকায়।
অর্থাৎ খুচরা ও পাইকারি বাজারের দামের ব্যবধান ৮০-৬০ টাকার। হঠাৎ কাঁচা মরিচের অস্বাভাবিক দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষরা। অন্যদিকে গ্রামে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের পক্ষে এক কেজি বা আধা কেজি মরিচ কেনা অসম্ভব ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে । তাঁরা সর্বোচ্চ এখন মরিচ কিনছেন ১০০ গ্রাম থেকে ২০০ গ্রাম পর্যন্ত। লালমনিরহাট জেলা শহরের বাজার গুলোতে
প্রায় একই রকম দামে বিক্রি হচ্ছে এই কাঁচা মরিচ। শনিবার (১৯ অক্টোবর) লালমনিরহাট সদরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা এক পোয়া (২৫০ গ্রাম) কাঁচা মরিচ বিক্রি করছেন ১০০ টাকা থেকে ১১০ টাকা পর্যন্ত।
তবে বেশিরভাগ বাজারে খুচরা কেজিপ্রতি ৪২০-৪০০ টাকা করে নিচ্ছে দোকানদাররা। লালমনিরহাট সদরের বড়বাড়ী বাজারে বড়ো আড়ৎ এ দেখা গেছে, প্রতি পাল্লা অর্থাৎ পাইকারি হিসাবে (৫ কেজি ) মরিচের দাম ১৭০০ টাকা পর্যন্ত।
পাইকারি বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টিতে কাঁচা মরিচের ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বাজারে সরবরাহ কম। কাঁচা মরিচের ঘাটতি রয়েছে। সবকিছু মিলেই কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে গেছে।
লালমনিরহাট সদরের বড়বাড়ী বাজারে সবুজ সবজি ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী মোঃ সবুজ ইসলামের কাছে কাঁচা মরিচের এমন দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন; কিছুদিন আগে কাঁচা মরিচ ১৫০ টাকা কেজি পাওয়া যেত, কিন্তু এখন বন্যা ও বৃষ্টির কারণে মরিচের উৎপাদন কমে যাওয়া ও জেলার বাইরে কাঁচা মরিচের চাহিদা বেশি থাকায় স্থানীয় ভাবে আমাদের বাজার গুলোতে একটু বেশি দামে মরিচ বিক্রি হচ্ছে। তিনি আরো বলেন; কাঁচা মরিচের দাম বাড়ার পেছনে খুচরা ব্যবসায়ীদের কোনো হাত নেই।
কাঁচামালের আড়ৎদে
মরিচ বিক্রি করতে আশা কৃষক
বাদশা মিয়া বলেন ; দাম বাড়ার মূল কারণ বন্যা আর বৃষ্টি। তাতে যেটুকু সমস্যা হয়েছে, তার সুযোগ নিয়ে আবার পাইকারি ব্যবসায়ীরা কিছুটা বাড়তি দামে এই মরিচ বিক্রি করতেছে ।