সব সময় সব খানে


রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : লালমনিরহাট

কালীগঞ্জে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ।।


লালমনিরহাট প্রতিনিধি

eshomoy.com || 2024-12-11
কালীগঞ্জে জোরপূর্বক জমি  দখলের অভিযোগ।।

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার গোড়ল ইউনিয়নের টেপাটারী এলাকার গোপাল চন্দ্রের দালিলিক জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী  পরিবারের কানুরাম বর্মন  বিরুদ্ধে। ওই জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় থানায় কয়েকবার মিমাংসার জন্য ডাকা হলেও কানুরাম বর্মন  উপস্থিত হননি। জোড় পূর্বক জমি দখেল করে অস্থায়ীভাবে বাড়ি নির্মাণ করে ফেলেছেন তিনি।  লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার গোড়ল ইউনিয়নের টেপাটারী এলাকার নালিশী তফসিল বর্ণিত  ৬৮৬ দাগে ২৬ শতক জমি যার টেপাটারী মৌজার  বিআরএস খতিয়ান নং ৮৩৯ এর রেকর্ডীয় প্রজা ছিলেন জলধর রায়। ২৬ শতক জমির মধ্য ১৩ শতক জমি জলধর রায় তার ছেলে গোপাল চন্দ্রের কাছে বিক্রি করেন। এবং ১৩ শতক জমি তার তিন ছেলের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। গোপালের ২ ভাইয়ের অংশ ৮.৬৬ শতক জমি কানুরা বর্মন  কিনে নেন। কানুরাম বর্মন প্রভাবশালী হওয়ায় রাস্তার পাশের অংশতে দখল করেন এবং সেখানে অস্থায়ী বাড়ি নির্মাণ করেন।

 এ ব্যাপারে গোপাল চন্দ্রের ছেলে বলরাম রায় জানান,আমার দাদার সম্পত্তির ২ চাচার ভাগের অংশ কানুরাম কিনে নেয়,তবে তিনি প্রভাবশালী হওয়ায়  রাস্তার ধার দিয়ে ৮.৬৬ শতক জায়গা দখল করে নিয়েছে এতে আমাদের ভিতরের জমি থেকে বের হওয়ার রাস্তা থাকছে না। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার চেষ্টা করেও স্থানীয় গণ্যমান্য মানুষ ব্যর্থ হয়েছে।পরে আমরা বিষয়টি থানা প্রশাসনকে অবগত করলে দুইপক্ষকে থানায় উপস্থিত থাকার জন্য বলা হলেও কানুরাম উপস্থিত হয়নি। বরং আমাদেরকে ভয় ভীতি প্রদর্শন করছে।

এ ব্যাপারে কালিগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম মালিক জানান, পুলিশ পাঠানো হয়েছিল উভয় পক্ষকে শান্ত থাকতে বলা হয়েছে। ভুক্তভোগী গোপাল চন্দ্র থানায় এসেছিলেন,আমরা উভয়পক্ষকে কাগজ নিয়ে থানায় দেখেছিলাম,তবে গোপাল চন্দ্রের লোকজন আসলেও কানুরাম থানায় আসেনি বলেও জানান তিনি।