সব সময় সব খানে


রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : লালমনিরহাট

লালমনিরহাটে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা


মোঃ বিপুল ইসলাম - স্টাফ রিপোর্টার

eshomoy.com || 2025-03-16
লালমনিরহাটে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নতুন পোশাক কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন লালমনিরহাটের মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা। শুরু হয়েছে মার্কেটগুলোতে ঈদের আমেজ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাড়ছে ভিড়, মার্কেটগুলোতে বাড়ছে মানুষের কেনাকাটার ব্যস্ততা। অভিজাত বিপণি বিতান, শপিং মল, মার্কেট, ছোট-বড় ব্র্যান্ডের দোকান- আউটলেট এমনকি ফুটপাতেও ধুম পড়েছে কেনাকাটার।


সরেজমিনে লালমনিরহাট সদরের বিভিন্ন  মার্কেট এবং শপিংমলগুলোতে দেখা গেছে,

সকাল থেকে শুরু হচ্ছে ব্যস্ততা। নানান ধরনের অফার এবং ঈদ স্পেশাল কালেকশন বিক্রিতে ব্যস্ত ব্যবসায়ীরা।


পোশাকের দোকানগুলোতে পুরুষদের পায়জামা-পাঞ্জাবি, শার্ট-প্যান্ট, গেঞ্জি, টিশার্ট, নারীদের শাড়ি, থ্রিপিস, ওয়ান পিস, কোর্তা,  বাচ্চা ও শিশুদের পায়জামা-পাঞ্জাবি, গেঞ্জিসেটসহ আধুনিক ডিজাইনের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। একইসঙ্গে কসমেটিকস, জুতা, ঘর সাজানোর সামগ্রী এবং গহনার দোকানগুলোতেও ভিড় জমাচ্ছেন মানুষজন। 


শহরের মার্কেট ও  দোকানগুলোতে সিজনাল ডিসকাউন্ট এবং নির্দিষ্ট ব্যাংকের কার্ড ব্যবহার করে কিংবা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করলেও মিলছে ছাড় এবং ক্যাশব্যাক অফার।


সংশ্লিষ্টরা জানায় ,এবার রোজার শুরুতেই মার্কেট ও ফ্যাশন হাউসগুলোতে ক্রেতাদের ভীড় বাড়ছে। নারী পুরুষ ও শিশুর জন্য বিভিন্ন ডিজাইনের নতুন পোশাকগুলো বিক্রি হচ্ছে ব্যাপক হারে। পাশাপাশি ভীড় জমেছে জুতা ও প্রসাধনীর দোকানগুলোতেও। এসব দোকানে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিক্রেতারা। জুতার বিভিন্ন শো-রুমে গিয়ে দেখা যায়, নতুন জুতা দেখছেন সব বয়সী ক্রেতারা।


জেলা শহরের পুরান বাজার এলাকার মেসার্স নরসিংদী বস্ত্রালয়ের বিক্রেতা তহুল ইসলাম

বলেন, সকাল থেকেই কেনাকাটার জন্য ভীড় করছে লোকজন। এবার ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী কাপড় নিয়ে আসায় বিক্রি অনেক ভালোই হচ্ছে। 


জেলা শহরের কাজী ফ্যাশনের বিক্রয়কর্মীরা বলেন, সারাদিন বেচাকেনা যেমনই হোক না কেন ভিড় বাড়ে সন্ধ্যার পর থেকে। সবাই ইফতারের পর থেকেই কেনাকাটা করতে আসে। ঈদ উপলক্ষ্যে সুতি ও আরামদায়ক কাপড়ের শার্ট, টিশার্ট, প্যান্টের নতুন কালেকশনের চাহিদা অনেক বেশি। আশা করছি দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেচাকেনা আরও বেশি জমজমাট হবে।

দর্জির দোকানগুলোতেও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে গ্রাহকদের ভিড়। আধুনিক নিত্য নতুন পোশাক তৈরিতে এখন‌ ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জিরা।

 

লালমনিরহাট সদরের সুপরিচিত মিম টেইলার্সের প্রোপ্রাইটর মোহাম্মদ মিটু মিয়া

 বলেন, রোজার কয়েকদিন আগে থেকেই গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্ডার পাওয়া শুরু হয়। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আধুনিক ফ্যাশন ডিজাইনের পোশাক বানানোর কারণে ক্রেতারা এখানে আসেন। ঈদে একটু বাড়তি চাপ থাকে। তবে মজুরী স্বাভাবিক সময়ের মতোই  নেওয়া হচ্ছে।


জেলা শহরের পৌর শপিং কমপ্লেক্সে পরিবার নিয়ে কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতা

হাফিজ উদ্দিন বলেন, এবার শিশুদের জামা-কাপড়, জুতা, বড়দের শাড়ি, শার্ট, পাঞ্জাবি, লুঙ্গিসহ সব ধরনের পোশাকের দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে। তিনি বলেন, গতবার যে পাঞ্জাবি দুই হাজার টাকায় সেই ধরনের পাঞ্জাবি এবার তিন থেকে চার হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে।


মুক্তা বেগম নামের এক ক্রেতা বলেন, যেহেতু বাচ্চার স্কুল বন্ধ সেজন্য শেষ সময়ে ঝামেলা এড়াতে আগেভাগেই গ্রামের বাড়িতে চলে যাব। তাই প্রিয়জনের জন্য  কেনাকাটা করছি। ব্যবসায়ীরা দাম কিছুটা বেশিই চাচ্ছেন। দামাদামি করে নিতে হচ্ছে। তাছাড়া এবার সবাই রোজা রেখে কষ্ট হলেও দিনের বেলাতেই কেনাকাটা শেষ করতে চাচ্ছেন। 


অন্যদিকে, লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরনবী বলেন, জেলা শহরের পুরো এলাকাজুড়ে কেনাকাটা করতে আসা মানুষজনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। (ওসি) নুরনবী বলেন,আমাদের এখানে অপরাধের পরিমাণ নগণ্য। তারপরও কেনাকাটা করতে আসা মানুষজনের নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা সতর্ক রয়েছি। পুরো এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে । একইসঙ্গে মোবাইল-টাকা চুরিসহ ছোটখাটো অপরাধ ঠেকাতে সাদা পোশাকেও পুলিশ সদস্যরা কাজ করছেন।