সব সময় সব খানে


শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬

১৫ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : লালমনিরহাট

উত্তরবঙ্গে জাঁকিয়ে বসেছে শীত, লালমনিরহাটে তাপমাত্রা নামল ১৩.৫°C


সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট জেলা ক্রসপন্ডেন্ট

eshomoy.com || 2025-12-05
উত্তরবঙ্গে জাঁকিয়ে বসেছে শীত, লালমনিরহাটে তাপমাত্রা নামল ১৩.৫°C
‘বৃষ্টির মতো পড়ছে’ সকালের শীতের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে স্থানীয়দের কথায় তা এক কাব্যিক রূপ পেয়েছে

উত্তর বাংলাদেশে অবশেষে জাঁকিয়ে শীতের আগমনী বার্তা। ডিসেম্বর মাসের শুরুতে সাধারণত যে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হয়, এবার তা থেকে বেরিয়ে হঠাৎ করেই তীব্র শীতের কামড় পড়তে শুরু করেছে।আজ মঙ্গলবার ২রা ডিসেম্বর উত্তর জনপদের লালমনিরহাটে তাপমাত্রা নেমে আসে ১৩.৫°C-এ, যা এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য শীতকালের দ্রুত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।কুড়িগ্রাম আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এদিন সকাল ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৫°C রেকর্ড করা হয়।

‘বৃষ্টির মতো পড়ছে’ সকালের শীতের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে স্থানীয়দের কথায় তা এক কাব্যিক রূপ পেয়েছে। তারা এই ঠান্ডা বাতাসকে এমনভাবে অনুভব করেছেন যে মনে হয়েছে ঠান্ডা ‘যেন বৃষ্টির মতো পড়ছে’—যা শীতের এই আকস্মিক ও তীব্র অবতরণকে ফুটিয়ে তুলেছে।

ভোর থেকেই লালমনিরহাট জেলাজুড়ে নেমে আসে ঘন কুয়াশার চাদর। সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা এবং পাটগ্রামসহ বিস্তীর্ণ এলাকা ঢাকা পড়ে ঘন ধূসর আবরণে। সোমবার সকালের তুলনায় মঙ্গলবার দৃশ্যমানতা আরও বেশি হ্রাস পায়।

ঘন কুয়াশার কারণে দিনের আলো ফোটার পরও রাস্তায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। চালকদের বাধ্য হয়ে হেডলাইট জ্বালিয়ে সাবধানে পথ চলতে দেখা যায়, কারণ কুয়াশার কারণে রাস্তার ধারের গাছপালা ও ভবনের রেখাগুলো পর্যন্ত আবছা হয়ে গিয়েছিল।

ভোরের দিক থেকে বইতে শুরু করা হিমেল বাতাস ঠান্ডাকে আরও বাড়িয়ে তোলে, যা সমগ্র অঞ্চলে এক সুস্পষ্ট শীতকালীন আবহাওয়ার সৃষ্টি করে। মরসুমের এই প্রথম তীব্র ঠান্ডার কারণে অনেককেই অতিরিক্ত পোশাক পরতে দেখা যায় এবং পথচলা হয় ধীর ও সতর্ক। চাহিদা বাড়ে গরম চায়ের।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি) জানিয়েছে, সারা দেশে আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকতে পারে এবং আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। ভোরের দিকে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে হালকা কুয়াশা পড়তে পারে।

বিএমডি-র পূর্বাভাস অনুযায়ী, রাতের তাপমাত্রা ১–২°C কমতে পারে, যদিও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্মরণ করা যেতে পারে, সোমবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১১.৭°C—যা ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশে শীতের দ্রুততম এবং শীতলতম স্থান হিসেবে পরিচিত।

আবহাওয়াবিদদের মতে, তাপমাত্রার এই প্রাথমিক হ্রাস উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে স্বাভাবিকের চেয়ে শীতল ডিসেম্বরের ইঙ্গিত দিতে পারে। এই অঞ্চলে ঘন কুয়াশা, হিমেল বাতাস এবং মন্থর রোদই আগামী দিনগুলোতে শীতকালীন জীবনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠবে।