সব সময় সব খানে


রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : প্রযুক্তি

৩০ বছরের হিমায়িত ভ্রূণ থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক শিশুর জন্মলাভ


মোঃ নাজমুল ইসলাম

eshomoy.com || 2025-08-02
৩০ বছরের হিমায়িত ভ্রূণ থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক শিশুর জন্মলাভ
সংগৃহীত

ওহাইওতে বসবাসকারী দম্পতি লিন্ডসি ও টিম পিয়ার্স বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক শিশুর মা-বাবা। তাঁরা বিগত সাত বছর ধরে সন্তান জন্মদানের চেষ্টা করে আসছিলেন।


যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ বছর আগে সংরক্ষিত একটি ভ্রূণ থেকে জন্ম নেওয়া একটি শিশুকে বিশ্বের ‘সবচেয়ে বয়স্ক’ শিশু হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। শিশুটির নাম রাখা হয়েছে থাডিয়াস ড্যানিয়েল পিয়ার্স। সে জন্ম নেয় শনিবার (২৬ জুলাই)। ১৯৯৪ সাল থেকে হিমায়িত অবস্থায় থাকা একটি ভ্রূণ থেকে শিশুটির জন্ম। শিশুটির বাবা-মা, লিন্ডসি ও টিম পিয়ার্স ওহাইওতে থাকেন এবং সাত বছর ধরে তাঁরা সন্তান লাভের চেষ্টা করছিলেন।


এই অর্জন সম্ভব হয় যখন তাঁরা ৬২ বছর বয়সী লিন্ডা আর্চার্ড থেকে ভ্রূণটি "দত্তক" নেন, যিনি কয়েক দশক আগে এটি সংরক্ষণ করেছিলেন।


“আমাদের সন্তান প্রসবের অভিজ্ঞতা কঠিন ছিল, কিন্তু এখন আমরা দুজনই ভালো আছি। ও খুব শান্ত। আমরা অবাক হয়ে যাচ্ছি—এই মূল্যবান শিশুটি এখন আমাদের কাছে!” লিন্ডসি পিয়ার্স MIT টেকনোলজি রিভিউকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন।


আরো পড়ুনইশারা নিয়ন্ত্রিত রিস্টব্যান্ড তৈরি করছে মেটা


১৯৯০-এর দশকের শুরুর দিকে মিসেস আর্চার্ড এবং তাঁর তৎকালীন স্বামী গর্ভধারণে সমস্যার কারণে ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (IVF) করার সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৯৪ সালে চারটি ভ্রূণ তৈরি হয়। ভ্রূণগুলোর মধ্যে থেকে একটি আর্চার্ডের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয় এবং তাঁর একটি কন্যা সন্তান জন্মায়, যিনি এখন ৩০ বছর বয়সী এবং একটি ১০ বছর বয়সী সন্তানের মা। বাকি ভ্রূণগুলো হিমায়িত করে সংরক্ষণ করে রাখা হয়।


“এই শিশুটির একটি ৩০ বছর বয়সী বোন আছে। ব্যাপারটা একেবারে অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে। এখনো বিশ্বাস হতে চায় না,” বলেন মিসেস আর্চার্ড। তিনি জানান যে তিনি ঐ ভ্রূণ ব্যবহার করে আরেকটি সন্তান চেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁর তৎকালীন স্বামীর মত ছিল ভিন্ন।


পরে আর্চার্ড তার স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ করেন, কিন্তু তিনি ভ্রূণগুলোর হেফাজতের দায়িত্ব পান এবং সেগুলো সংরক্ষণে রাখেন, আশায় ছিলেন কোনো একদিন হয়তো সেগুলো ব্যবহার করবেন—সম্ভবত অন্য কোনো সঙ্গীর সঙ্গে।

অবশেষে ভ্রূণটি পৃথিবীর মুখ দেখলো এবং নিসন্তান একটি দম্পতির মুখে হাসি ফোটাতে সক্ষম হলো।


The Guardian, 31st July