চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহেই জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) ব্যবহারকারী বেড়েছে এক কোটিরও বেশি। অর্থাৎ মাত্র এক সপ্তাহেই বিপুল সংখ্যক ব্যবহারকারীর এক্স-এ যোগ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছেন এক্সের প্রধান নির্বাহী (সিইও) লিন্ডা ইয়াকারিনো।
আরও পড়ুন- ডিজিটাল মাধ্যমে যেভাবে জায়গা করে নিচ্ছে ভয়েস প্রযুক্তি
বর্তমানে সববচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর একটি এক্স। বিভিন্ন সংস্থার পরিসংখ্যান অনুসারে, এক্সের সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২২ কোটির বেশি। তবে ইলন মাস্কের মালিকানা গ্রহণের পর তা কিছুটা কমে যায়। গত জুলাই মাসে ইলন মাস্ক জানান, প্রতি মাসে ৫৪০ মিলিয়ন মানুষ এক্স ব্যবহার করেন।
সম্প্রতি ভুয়া ও বিদ্বেষপূর্ণ তথ্য ছড়ানোর উদ্বেগ থেকে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি ছাড়ছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দাবি করা হয়। তবে এমন গুঞ্জনের মধ্যেই নতুন ব্যবহারকারীর সংখ্যা সামনে এলো। 
শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এক্স সবসময় তাদের ব্যবহারকারীদের তথ্য প্রকাশ করে না। কিন্তু কী কারণে ইয়াকারিনো এই তথ্য প্রকাশ করেছেন আর ডিসেম্বর মাসে নতুন ব্যবহারকারীদের সঙ্গে প্ল্যাটফর্মটির গড় ব্যবহারকারীর সংখ্যা কীভাবে তুলনা করেছেন তাও জানা যায়নি।
আরও পড়ুন- এআই কি একদিন মানুষকেও ছাড়িয়ে যাবে?
নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইহুদি বিদ্বেষ নিয়ে বিতর্কের জেরে গত নভেম্বরে অ্যাপল, ডিজনি, ওয়ার্নার ব্রোস ডিসকভারি, কমকাস্ট, লায়ন গেট এন্টারটেইনমেন্ট, প্যারামাউন্ট গ্লোবাল ও আইবিএমের মতো বড় বড় কোম্পানি এক্সে বিজ্ঞাপন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।
কোম্পানিগুলোর এমন বিজ্ঞাপন বর্জনে বছরের শেষ নাগাদ বিজ্ঞাপন খাতে এক্সের ৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার পর্যন্ত ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি এক এক্স ব্যবহারকারী দাবি করেন, ইহুদিরা শ্বেতাঙ্গদের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক মন্তব্য করছেন এবং একজোট হচ্ছেন। তার এই মন্তব্যের সঙ্গে সহমত পোষণ করেন টেসলার সিইও।
আর এ থেকেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। এই ক্ষোভে অ্যাপল, ডিজনির মতো বড় বড় বিজ্ঞাপনদাতাও এক্সের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। যদিও পরে মাস্ক তার মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চান।
আরও পড়ুন- চাঁদে মুখ থুবড়ে পড়েছে রাশিয়ার চন্দ্রযান লুনা-২৫, ব্যর্থ হলো অভিযান
এর আগে মিডিয়া ম্যাটারস এক প্রতিবেদনে জানায়, যেসব কোম্পানি নৎসিবাদকে সমর্থন করে তারাই এক্সকে বিজ্ঞাপন দেয়। এই প্রতিবেদনের কারণে মিডিয়া ম্যাটারসের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছে প্ল্যাটফর্মটি।
ইসময়/এসআই/এমআরএম