সব সময় সব খানে


শনিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শনিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

>> সিজারিয়ানে হেলথ কেয়ার হাসপাতালে প্রসূতির মৃত্যু, দুই সপ্তাহেও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেই

>> পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযানে ইউরিয়া সার ও ভারতীয় গরু আটক

আপনি পড়ছেন : যশোর

চৌগাছা ঝিকরগাছা সড়কে মুলিখালী একটি যাত্রী ছাউনীর অভাবে সকলেই আছেন কষ্টে


মেহেদী হাসান শিপলু - চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

eshomoy.com || 2024-04-23 06:00
চৌগাছা ঝিকরগাছা সড়কে মুলিখালী একটি  যাত্রী ছাউনীর অভাবে সকলেই আছেন কষ্টে
চৌগাছা-ঝিকরগাছা সড়কে মুলিখালী বটতলায় একটি যাত্রী ছাউনী খুবই জরুরী বলে মনে করেন স্হানীয়রা।

একটি মাত্র ছত্রী ছউনী হতে পারে শতশত পথচারীসহ স্থানীয় কৃষকদের নিকট আর্শিবাদ। কিন্তু বছরের পর বছর পার হলেও কোন জনপ্রতিনিধি বা সরকারের কোন দয়িত্বশীল ব্যক্তি এটি নির্মানে কোন উদ্যোগ গ্রহন করেননি। প্রখর রোদ আর ঝড়-বৃষ্টিতে মানুষকে সীমাহীন কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে। জনকল্যানে সড়কের পাশে একটি যাত্রী ছাউনী নির্মানের জোর দাবি করেছেন এলাকাবাসি। চৌগাছা-ঝিকরগাছা সড়কটি অতিব জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক। দু’উপজেলা নিয়ে গঠিত ৮৬ যশোর-২ চৌগাছা ঝিকরগাছা সংসদীয় আসন। সে কারনে সময়ে অসময়ে দুই উপজেলার মানুষ সড়কটি ব্যবহার করেন। শুধু তাই না পাশ্ববর্তী শার্শা উপজেলার মানুষেরও চলাচল রয়েছে সড়কটি দিয়ে। চৌগাছা উপজেলা সদর থেকে রওনা দিয়ে চাঁদপুর গ্রাম পার হলেই মুলিখালী মোড়। একটি বটগাছ ঠাঁই দাড়িয়ে আছে তিন রাস্তার মাঝখানে। বটগাছের পাশ দিয়ে একটি সড়ক বয়ে গেছে বেড়গোবিন্দপুর বাওড় ঘেষে উপজেলার ধুলিয়ানী ইউনিয়নে। আর ঝিকরগাছা অভিমুখে সড়কের পাশে অবস্থিত সিংহঝুলী ও পাশাপোল ইউনিয়ন। পাশাপোল ও ধুলিয়ানী ইউনিয়নের হাজারও মানুষ মুলিখালী মোড় হয়ে উপজেলা সদরে আসেন। তিনটি সড়ক দিয়ে মোড়ের বটতলায় পৌছাতে প্রত্যেক মানুষকে অন্তত ২/৩ কিলোমিটার ফাঁকা মাঠ পাড়ি দিতে হয়। জরুরী কাজে কোন ব্যক্তি বাড়ি হতে বের হয়ে মুলিখালী মোড়ে পৌছে যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। এ সময় ওই ব্যক্তিকে হয় দাঁড়িয়ে না হয় বটগাছের শিকড়ে বা সড়কের পাশে বনভেঙ্গে বসে অপেক্ষা করতে হয়। বছরের পর বছর এভাবেই পার করেছেন শতশত মানুষ। তবে স্বস্তির বিষয় সম্প্রতি মোড়ে দুটি টিনের ছাউনি দোকান হয়েছে তবে এই দোকান বেশিল ভাগ সময় বন্ধ থাকে অভিযোগ পথচারীদের, ফলে দুর্ভোগ সেই আগের মতই। এদিকে মুলিখালী মোড়ের চারিপাশে রয়েছে বিস্তৃর্ণ মাঠ। কৃষক কাঠফাটা রোদে কাজ করে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে ছুটে আসেন বটতলায়। কিন্তু সেখানে বসার উপযুক্ত কোন জায়গা না থাকায় তাদের কষ্ট কষ্টই থেকে যাচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, গুরুত্বপূণ মোড়ের বটতলায় সারাক্ষনই থাকে মানুষের বিচারণ। কেউ এসেছেন মোড় হতে যানবাহনে উঠে যাবেন গন্তব্যে, কেউ এসেছেন ভ্রম্যমান ভাবে চা বিস্কুট কিংবা আখের রস বিক্রি করতে আবার প্রখর রোদ আর গরমে মাঠে কর্মরত কৃষক এসেছেন কিছুটা বিশ্রাম নিতে। এ সময় স্থানীয় কৃষক আতিয়ার রহমান, আব্দুল আজিজ, জয়ানাল হোসেনের সাথে কথা হয়। তারা বলেন, প্রয়োজনের তাগিদে মানুষ রাত দিন সারাক্ষই কোন কোন কাজে বাড়ি হতে মুলিখালী মোড়ে এসে অবস্থান করেন। কিন্তু এখানে মানুষের দাঁড়াবার কোন জায়গা নেই। বর্ষামৌসুমে এই কষ্ট কয়েকগুন বেড়ে যাই। কৃষক মাঠ হতে বিশ্রামের জন্য মোড়ে বটতলায় ছুটে আসে কিন্তু উপযুক্ত বসার জায়গা না থাকায় তারাও কষ্টে থাকেন।  যুগযুগ ধরে মানুষ কষ্টভোগ করে আসছেন। সম্প্রতি দুটি দোকান হলেও তা বেশির ভাগ সময় বন্ধ থাকে। তাই গুরুত্বপূর্ণ এই মোড়ে একটি যাত্রীছাউনী খুবই জরুরী। পথচারী আব্দুল্লাহ আল মামুন, লিটন হোসেন বলেন, বটতলা মোড়ে একটি যাত্রী ছাউনী হলে এর সুফল সকলেই ভোগ করতে পারবে। মন্মতপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেন, ধুলিয়ানীর রহমত আলী, পাশাপোল গ্রামের শিমুল হোসেন বলেন, এই মোড়ে একটি যাত্রী ছাউনী আরও আগে নির্মানের দরকার ছিল কারণ মানুষ খুব কষ্টভোগ করেন। এ বিষয়ে চৌগাছা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বলেন, আমি নির্বাচিত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে উপজেলা পরিষদে অনানুষ্ঠানিক ভাবে আলোচনা করেছি। মানুষের কষ্টের দিক বিবেচনা করে আগামী মাসিক সভায় এ নিয়ে আলেচনা করা হবে।