সব সময় সব খানে


শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬

১৫ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সিরাজগঞ্জে যুবলীগের ঝটিকা মিছিলের পর চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

>> ভাঙ্গায় ট্রাকভর্তি ২৫০ বস্তা সার জব্দ: ডিলার আটক

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

আপনি পড়ছেন : জামালপুর

২০ বছর পর স্কুলে আবির্ভূত হয়ে এমপিওভুক্ত হলেন ৫ শিক্ষক


মোঃ আমিনুল ইসলাম বকশীগঞ্জ, জামালপুর।

eshomoy.com || 2024-10-18
২০ বছর পর স্কুলে আবির্ভূত হয়ে এমপিওভুক্ত হলেন ৫ শিক্ষক

২০ বছর পর স্কুলে আবির্ভূত হয়ে এমপিওভুক্ত হলেন ৫ শিক্ষক


জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার ভাটি খেওয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয় নিন্ম মাধ্যমিক থেকে উচ্চ বিদ্যালয় এমপিওভুক্ত হলে পূর্বের তারিখে নিয়োগ দেখিয়ে এবং ভুয়া নিয়োগ পত্র ও কাগজপত্র তৈরি করে  জালিয়াতির মাধ্যমে পাঁচ শিক্ষক নিয়োগ ও এমপিওভুক্তির অভিযোগ পাওয়া গেছে।  পাঁচ শিক্ষকের কাছ থেকে প্রায় কোটি টাকা ঘুষ নিয়ে তাদের এমপিওভুক্ত করে বর্তমান বহাল রয়েছেন এসব শিক্ষকরা এবং তুলছেন বেতন-ভাতা। ঐ পাঁচ জন শিক্ষক হলেন, সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) মোঃ নুরুল আমিন আকন্দ, সহকারী শিক্ষক (ব্যবসায় শিক্ষা) মো: জাহিদুল ইসলাম,  সহকারী শিক্ষক (সামাজিক বিজ্ঞান)  মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান ও সহকারী শিক্ষক (বাংলা) সাবিনা ইয়াসমীন এবং সহাকারী শিক্ষক (সামাজিক বিজ্ঞান) মর্জিনা আক্তার।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভাটি খেওয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়  ২০০৪ সালে বিদ্যালয়টি নিম্ন মাধ্যমিক পর্যন্ত এমপিওভুক্ত হয় এবং ২০০৫ সালে ৯ম শ্রেণীর পাঠদানের অনুমতি পায়। ২০২২ সালে নতুন করে ২৭১৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান  এমপিওভুক্ত করা হলে বিদ্যালয়টির স্তর পরিবর্তন (উচ্চ বিদ্যালয়) এমপিওভুক্তি করা হয়। বিদ্যালয়টির মাধ্যমিক স্তর এমপিওভুক্ত করা হলে পূর্বের তারিখে ভুয়া নিয়োগ পত্র তৈরি করে পাঁচ জন শিক্ষককে প্রায় কোটি টাকা নিয়ে নিয়োগ প্রদান করেন বিদ্যালয়টির তৎকালীন প্রধান শিক্ষক নুর মহম্মদ।


এই জালিয়াতির বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়টির তৎকালীন প্রধান শিক্ষক (চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে অবসরে যান) নূর মহম্মদের মুঠোফোনে কল করলে তিনি জানান, সবকিছুই জেনুইন (সঠিক) ছিল জাল জালিয়াতি বলে কোন শব্দ নাই। এক সময় আমার বিরোধীপক্ষ একটা অভিযোগ করেছিল সে এখন আমার সাথে বেড়ায় সব মিলমিশ ঠিকঠাক হয়ে গেছে। ব্যানবেইসের প্রসঙ্গ আনতেই তিনি মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।