বাজারের মাইকে বার বার ঘোষণা করা হচ্ছে, এবার বাজারের চলে আসছে লালচান ও কালাচান দেখতে হলে বাজারে আসতে হবে। গরুর মালিক সজীব জনকণ্ঠকে বলেন, গরু দুটির ওজন ৪০ মণ । গায়ের রং কালো ও লাল।
এরা একটি লম্বায় ৭ ফুট ও উচ্চতা সারে ৫ ফুট আর কালাচানের ওজন ২০ মণ, গায়ের রং কালো। এদের উচ্চতা ৭ ফুট ও লম্বায় ৬ ফুট। গরু দুটির দাম ধরা হয়েছে ১৪ লক্ষ টাকা। তবে তিনি ১২ লক্ষ টাকা হলেই বিক্রি করবেন বলে জানান জনকণ্ঠকে। তবে ক্রেতারা পছন্দ করলে দরদাম করে কিছুটা কমানোও যাবে।
ওই তরুণ বিক্রেতা সজীব বলেন, দুই গরু আমার বাড়িতে খের ও কাঁচা-ঘাস প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে লালন পালন করেছি। প্রতিদিন গোসল করানো হয় এবং তার খাবারে থাকে ময়দা, ভুসি, দানাগুড়, গম, কালাইসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদান খাওয়ানো হয়েছে। আমার পরিবারের সবাই যত্ন করে লালন পালন করেছে।
বাজারের আসা ক্রেতা সাহিন আলম জনকণ্ঠকে বলেন, বাজারের সবচেয়ে আকর্ষণ হচ্ছে কালাচান ও লালচান। এদের দেখতে মানুষ সকাল থেকে ভিড় জমাচ্ছে। তবে আমি দাম জেনেছি কিন্তু কিনতে সাহস পাই নাই।
ইজারাদার কর্তৃপক্ষ বলেন, এই বাজারে ভারতীয় গরু প্রবেশ নিষেধ করা হয়েছে। বাজার চলবে তিনদিন ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত। নেত্রকোনা, জামালপুর, শেরপুর, নকলা, হালুয়াঘাট, ফুলপুর, তারাকান্দা, মুক্তাগাছা, গাজীপুর ভালুকা ত্রিশাল, সদরেরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে এ বাজারে গরু এসেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, লালচান ও কালা চানদের গলায় লাল মালা পরিয়ে হাটে তুলেছেন বিক্রেতা। এদের ঘিরে উৎসুক মানুষের ভিড়। কেউ কেউ গরুর সঙ্গে সেলফিও তুলছেন।