এছাড়া জেলাভিত্তিক ফলাফলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী জামালপুরে মোট ২৫ হাজার ৭৮৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৫ হাজার ৩৩৬ জন (পাশের হার ৫৯.৪৬%), নেত্রকোণায় ১৯ হাজার ৪১৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১১ হাজার ৬৬৯ জন (পাশের হার ৬০.০৮%), ময়মনসিংহে ৪৫ হাজার ৮৫৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২৬ হাজার ৬৯১ জন (পাশের হার ৫৮.২০%) এবং শেরপুরে ১৪ হাজার ৪৯৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৭ হাজার ৭৬০ জন (পাশের হার ৫৩.৫৪%)।
ছেলেদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ৫৩ হাজার ৭৭২ জন। এরমধ্যে পাস করেন ২৯ হাজার ৬১২ জন। আর মেয়েদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ৫১ হাজার ৭৮৬ জন। এরমধ্যে পাস করেন ৩১ হাজার ৮৪৪ জন।
মোট পাস শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৬১ হাজার ৪৫৬ জন। পাসের হার ৫৮.২২ শতাংশ। জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৬ হাজার ৬৭৮ জন। এরমধ্যে ছেলেদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ১২৬ জন ও মেয়েদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ৫৫২ জন।
ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আরও বলেন, সামগ্রিকভাবে পাশের হার আশানুরূপ না হলেও শিক্ষার্থীরা বিশেষ করে ছাত্রীদের ধারাবাহিক অগ্রগতি আমাদের আশাবাদী করে তুলেছে। আগামী দিনে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
এদিকে অভিভাবক মহল ও শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের একাংশ মনে করছেন- করোনা পরবর্তী শিক্ষার ধাক্কা, টেকসই অনুশীলনের অভাব এবং গ্রামাঞ্চলে শিক্ষার পরিকাঠামোগত দুর্বলতা এই ফলাফলের পেছনে অন্যতম কারণ।