ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের নবীন শিক্ষার্থীকে র্যাগিংয়ের ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদনে সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানা যায়। তদন্ত কমিটি ১০ কার্যদিবস পর এ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।
আজ রবিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে প্রতিবেদনটি জমা দেন তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন সাইফুল ইসলাম।
আরও পড়ুন- ইবিতে নবীন শিক্ষার্থীকে র্যাগিং, পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন
জানা যায়, তদন্ত প্রতিবেদনে ভুক্তভোগী ও অভিযুক্তদের সাক্ষাৎকার এবং তথ্য-উপাত্ত রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পরবর্তীতে ছাত্র শৃঙ্খলা সভায় উঠবে। সভা থেকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় তদন্ত কমিটির এক সদস্য নাম গোপন রাখার শর্তে বলেন, আমরা ভুক্তভোগী ও অভিযুক্তদের সঙ্গে কথা বলেছি। বিভাগের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গেও কথা বলেছি। তাতে ভুক্তভোগীর সঙ্গে সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে এর সত্যতা আমরা পেয়েছি। তদন্তে উঠে এসেছে ভুক্তভোগী বিভিন্নভাবে র্যাগিংয়ের স্বীকার হয়েছে। তদন্ত কমিটির সবার স্বাক্ষর সংবলিত ১৬ পৃষ্ঠার একটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এ ঘটনায় আট জনের সাক্ষাতকার নেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রথম বর্ষের নবীন শিক্ষার্থী তাহমিন ওসমানকে র্যাগিং ও মানসিকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগে ভুক্তভোগী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর অভিযোগ দেন। লিখিত অভিযোগে বলা হয়, পরিচয়পর্ব শেখানোর নামে তাকে কয়েক দফায় বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন- গোবিন্দগঞ্জে ছাত্রের হাতে পিটুনির শিকার শিক্ষক
ইসময়/আরএম/এমআরএম