নোয়াখালীর হাতিয়ার প্রধান সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। দীর্ঘদিন ধরে সড়কের এমন বেহাল দশা চললেও কর্তৃপক্ষের নজরে পড়ছে না এই সড়কটির ওপর। হাতিয়া উপজেলা, আফাজিয়া, চরকিং, বুড়িচর, সাগরিয়া, নিঝুম দ্বীপ মুক্তারিয়া ঘাট পর্যন্ত প্রধান সড়কের অবস্থা খুবই ভয়াবহ। বর্ষার সময় বিভিন্ন অংশে গর্ত হয়ে পানির জমে ছোট পুকুরের রূপ নিয়েছে। সড়কের পিচ উঠে গিয়ে কংক্রিট পর্যন্ত উধাও হয়ে যাচ্ছে । এতে দুর্ঘটনায় আহত হচ্ছে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী, রোগী ও বয়স্করা।নলচিরা থেকে জাহাজমারা- সিডিএসপি বাজার পর্যন্ত ৪০ কিলোমিটার প্রধান সড়কটি বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এর কারণে বড় ধরনের দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে পরিবহনের চালক ও যাত্রীরা।
ইসময়ের প্রতিনিধি সরেজমিনে হাতিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখতে পান প্রধান সড়কে বড় বড় গর্তের কারণে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। যখন ভারী বর্ষণ সৃষ্টি হয় তখন বড় বড় গর্তগুলো পানিতে ভর্তি থাকে যার ফলে যানবহন গুলো দূর্ঘটনার শিকার হয়। নলচিরা নদীর ঘাট থেকে উপজেলা সহ সকল বাজারে পন্যবাহী, নসিমন, লরি, ভ্যান, ট্রাক, বাস, সিএনজি ও অটো রিক্সা সহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে তাই জরুরী ভিত্তিতে এই সড়কটি মেরামত করার জোর দাবি জানাচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দারা।
এবিষয়ে প্রকৌশলী তানভীর উদ্দিন রাজিব বলেন- হাতিয়ার মত গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ উপজেলার প্রধান সড়কের এমন ভয়াবহ দৃশ্য শুধুমাত্র জনজীবনের ভোগান্তি নয়, দ্বীপ অঞ্চলের চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা বাণিজ্যকে মারাত্মকভাবে পিছিয়ে দিয়েছে।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগের নোয়াখালী অফিসারের নির্বাহী প্রকৌশলী সৌম্য মজুমদার জানান, বন্যা ও অতিবৃষ্টিতে প্রায় এলাকায় রাস্তাগুলো ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়েছে। এই ক্ষেত্রে মেরামতের জন্য ব্যাপক অর্থের প্রয়োজন, কিন্তু আমাদের অর্থ সংকট রয়েছে। তারপরও আপাতত ঝুঁকিপূর্ণ অংশসমূহ মেরামতের ব্যবস্থা করবেন বলে আশ্বাস দেন এই কর্মকর্তা।