সব সময় সব খানে


রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : পটুয়াখালী

দেড় কোটি টাকার বাঁধ ছয় মাসেই নদীতে বিলীন!


আসাদুল্লাহ হাসান মুসা, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:

eshomoy.com || 2025-07-26 13:17
দেড় কোটি টাকার বাঁধ ছয় মাসেই নদীতে বিলীন!
ছবি: ইসময়

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রাবনাবাদ নদীর তীব্র ভাঙনের মুখে দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে মেরামত করা বেড়িবাঁধ ছয় মাস পার হতে না হতেই ফের নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। করমজাতলা এলাকায় প্রায় ৪০০ ফুট মূল বাঁধ ও রিভার সাইটের অংশ জলোচ্ছ্বাসে নদীতে তলিয়ে যায়।


স্থানীয়দের অভিযোগ, গত মে মাসেই জিওব্যাগ ও টিউব ধসে পড়ে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) তীব্র জলোচ্ছ্বাসে বাঁধের বাকি অংশও বিলীন হয়ে যায়। ফলে ওই এলাকার মানুষ এখন মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।


স্থানীয় দোকানি মো. রেজাউল বলেন, “শুক্রবারের জলোচ্ছ্বাসে জিও টিউব, জিওব্যাগসহ প্রায় চার শ’ ফুট বাঁধের টপসহ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ঢেউয়ের ঝাপটায় সব শেষ, এখন বাঁধের মধ্যে পানি ঢুকছে। মেরামতের ছয় মাসেই এই দশায় সবাই আতঙ্কে আছেন। বাঁধের যতটুকু আছে, তাও আবার জলোচ্ছ্বাস হানা দিলে সব ভেসে যাবে। ফলে তাঁদের বসতিও টিকবে না।”


বাঁধের আশেপাশের বাসিন্দারা আরও জানান, রাবনাবাদ নদী থেকে বছরের পর বছর ধরে অসংখ্য ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের কারণে ভাঙনের ঝুঁকি বহুগুণে বেড়েছে।


পানি উন্নয়ন বোর্ড, কলাপাড়ার তথ্য মতে, ৫৪/এ পোল্ডারের আওতায় ১৩.০০ কিমি থেকে ১৪.১২০ কিমি পর্যন্ত ১,১২০ মিটার বেড়িবাঁধে জিওটিউব ও জিওব্যাগ বসানো হয়। এ প্রকল্পে ব্যয় হয় প্রায় দেড় কোটি টাকা। বাঁধটি স্থানীয়ভাবে করমজাতলা নামে পরিচিত।


মনিটরিংয়ে নিযুক্ত পানি উন্নয়ন বোর্ড, কলাপাড়ার উপসহকারী প্রকৌশলী বিদ্যা রতন সরকার বলেন, “ওই জায়গায় রাবনাবাদের উত্তাল ঢেউয়ের কবল থেকে বেড়িবাঁধের ভাঙনরোধে ইমার্জেন্সি প্রটেকশন দেওয়ার জন্য জিওটিউব ও জিওব্যাগ স্থাপন করা হয়েছে। মাটির সংকট ছিল। অনেক দূর থেকে মাটি সংগ্রহ করতে হয়েছে। তারপরও সুন্দরভাবে করা হয়েছে। প্রায় সাত মাস আগে কাজটি করা হয়েছে। মূলত করমজাতলার ওই স্পটটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। এজন্য ব্লক দিয়ে স্থায়ী প্রটেকশন দেওয়া প্রয়োজন।”


পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহ আলম জানান, “মূলত ওই জায়গাটা ক্রিটিক্যাল জায়গা। ভেতরে জায়গা নেই। মাটি ও প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া গেলে ওখানটায় স্থায়ী প্রটেকশনের জন্য বিকল্প বেড়িবাঁধ করতে হবে। নইলে ভাঙন স্থায়ীভাবে রোধ করা সম্ভব নয়। তারপরও দ্রুত খোঁজখবর নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনামতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”