পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে কৃষকের ২ শতাধিক কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ।
পিরোজপুর প্রতিনিধি :
পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জাহাঙ্গীর মামক এক কৃষকের জমির ২শ’ কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। শনিবার ইন্দুরকানী উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নের পত্তাশী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিক জাহাঙ্গীর হোসেন উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। আর হাকিম হাওলাদার ও তার সহযোগীদের বাড়ি ও একই গ্রামে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা জানায়, ২০ বছর ও তার আগে এই জমিটা ক্রয় করেন ক্রয়ের পর থেকে ভোগদখল করিয়া আসিতেছে। ক্রয়ের আনুমানিক ২০ বছর পরে জমির মালিক জাহাঙ্গীর হোসেন, জমিটি কৃষি খেত তৈরি করার জন্য শ্রমিক দিয়ে মাটি কাটেন। মাটি কেটে কৃষি খেত তৈরি করার পরে ২৭ এপ্রিল উক্ত জমিতে ২০০ টি কলা গাছ রোপন করেন জমির মালিক জাহাঙ্গীর হোসেন। অভিযুক্ত হাকিম হাওলাদার তার ছেলে সাফায়েত ও তার স্ত্রী ২৭ এপ্রিল শনিবার দুপুরে উক্ত কলাগাছ রোপণ করা জমিতে প্রবেশ করে সব কলাগাছ গুলো কেটে পানিতে ফেলে দেয়। ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করেন শনিবার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন জমির মালিক জাহাঙ্গীর হোসেন। এতে কয়েক হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি তার। এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।
প্রত্যক্ষদর্শী শাক্ষী কালাম বলেন এই জমিতে শনিবার দুপুরে আমি হাকিম হাওলাদার ও তার ছেলে সাফায়েত ও তার স্ত্রীকে আমি নিজের চোখে জমির কলাগাছ কেটে ফেলতে দেখেছি, বিষয়টি অমানবিক এখানে কলাগাছসহ বিভিন্ন ফলের চারা রোপন করা ছিলো। আমরা নিষেধ করার পরেও কারো কথা শোনেন নাই।
আর এক প্রত্যক্ষদর্শী শাক্ষী জিহাদ বলেন আমি দুপুর বেলা বাসা থেকে বের হইয়া শুনি চেচামেচি গিয়ে দেখি
অভিযুক্ত হাকিম হাওলাদার তার ছেলে সাফায়েত ও তার স্ত্রী ও তার আরও ২ টা নাতি মিলে জাহাঙ্গীর কাকার কলাগাছ গুলো কেটে পানিতে ফেলতাছে ও গালাগালি করতাছে।
এ ব্যাপারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের কথা জানিয়েছে ওসি মারুফ হোসেন ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।