ইন্দুরকানীতে শত কোটি টাকা আত্মস্তকারি প্রতারক এবাদুল ওরফে সাজ্জাদ গ্রেফতার
(পিরোজপুর)প্রতিনিধিঃ
ইন্দুরকানীতে সৌদিয়া বহুমুখি সমিতির নামে কয়েক হাজার মানুষের নিকট থেকে বিভিন্ন বাবে প্রতারনা করে হাতি নিয়েছে শত কোটি টাকা। অবশেষে ঢাকার একটি প্রতারনা মামলায় আটক পুলিশ।উপজেলার কলারন চনিন্ডপুর গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে এবাদুল ইসলাম ওরফে সাজ্জাদ অনেক দিন থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতারনার ম্যাধমে চাকুরি, ঘর, জমি, দেয়ার নামে সাধারণ মানুষের নিকট থেকে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা।
এরই ধারা বাহিকতায় উপজেলার পাশর্^বর্তী গ্রাম চর হোগলাবুনিয়ায় স্থনিয় চেয়ারম্যান আকরাম খান ও মাওলানা ছরোয়ার হোসেন'এর সহযোগীতায় সৌদিয়া বহুমুখি প্রকল্পর একটি সমিতী খুলে চাকুরি,বিদেশ,ঘর ,জমি দেবারর নামে শত কোটি টাকা হাতিনিয়ে অত্মগোপনে চলেযায় এবাদুল ওরফে সাজ্জাদ। দিশে হারা জনগন কোন কুল কিনারা নাপেয়ে স্থানী জাকির হোনের নেতৃত্বে একটি মামলা দায়ের করেন।
একজন ভুক্তভুগী মোস্ফা হাওলাদার বলেন আমার ইট বালু সিমেন্টের ব্যাবসা থেকে ঠিকাদার পরিচয়ে লেনদেন শুরু করে কিছু টাকা দিলেও আমার প্রায় ১৫/১৬ লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়, এভাবে আরও কয়েকজন ভুক্তভুগীর সাথে কথাবলে জানাযায় চাকুরি দেয়ার নামে তার কাছ থেকে ৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন, হোগলাবুনিয়ার নাইম নামের একজননের নিকট থেকে ১৩ লক্ষ,সাঈদ খালীর লাকি আক্তারের নিকট থেকে চাকুরি দেয়ার নামে ৪ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা সহ কয়েক হাজার মানুষের টাকা নিয়ে পালিয়ে ঢাকায় আস্তানা গাড়ে প্রতারক সাজ্জাদ।
এমন এক ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে ২০০৭ সালে রাজধানির শ্যামপুর থানায় ওর বিরুদ্ধে একটি প্রতারনা মামলা হয় সেই মামলায় পাচবছর সাজাদেয় আদালত। মাথায় সাজানিয়ে দেশের আনাচে কানাচে চলে প্রতারনা সেই মামলায় র্যাবের হাতে গ্রেফতার হয় প্রতারক সাজ্জাদ। এরপরেই বেরিয়ে আসে প্রতারনার সকল কাহিনী। ১৪ মার্চ এবাদুল ওরওফ সাজ্জাদের আটকের কথা শুনে কয়েকশত নারি,পুরুষ ইন্দুরকানী থানায় আসেন তাদের টাকা ফিরে পাবার আশায়।
ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন সাজা প্রাপ্ত পালতক আসামী হিসেবে তাকে আটক করা হয়েছে ১৪ মার্চ বৃহষ্পতিবার পিরোজপুর আদালতে পাঠান হবে। নতুন কোন মামলা হলে আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।