সব সময় সব খানে


রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : ভোলা

তজুমদ্দিনে বাকপ্রতিবন্ধী কবির হত্যা মামলার দুই মাসেও বিচার না পেয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে পরিবারের আকুতি!


মোঃ হাছনাইন

eshomoy.com || 2025-09-29 10:28
তজুমদ্দিনে বাকপ্রতিবন্ধী কবির হত্যা মামলার দুই মাসেও বিচার না পেয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে পরিবারের আকুতি!

ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের ০৭ নং ওয়ার্ডের নজুমদ্দিন রাড়ি বাড়ির মৃত আ. মালেকের বড় ছেলে বাকপ্রতিবন্ধী কবির হত্যার দুই মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো ন্যায়বিচার পায়নি পরিবার। স্বজনদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব ও টাকার জোরে মামলা ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা চলছে। এ অবস্থায় তারা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।


গত ২৯ জুলাই বিকেলে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন কবির। নিখোঁজের তিনদিন পর পহেলা আগস্ট সকালে বাড়ির সামনের পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে প্রেরন করেন তজুমদ্দিন থানা পুলিশ। 


নিহতের ছোট ভাই মো. কামরুল অভিযোগ করেন, তিনি নিখোঁজের পরে তজুমদ্দিন থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলে তা গ্রহণ করা হয়নি। এবং লাশ উদ্ধারের পর সন্দেহভাজন তিনজনকে থানায় নিলেও পরবর্তীতে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।


তাই ২ আগস্ট নিহতের ভাই কামরুল বাদী হয়ে নিখোঁজের আগের দিন অস্ত্র দেখিয়ে  হুমকি দেওয়া তিনজনকে সন্দেহমান আসামি করে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন। 


তজুমদ্দিন থানায় হত্যা মামলা না নেওয়ার কারণে ৫ আগস্ট নিহতের মা রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে ভোলা আদালতে রাসেল, রতন, রিয়াজ, খালেক ও আলাউদ্দিনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।


ঘটনাটি নিয়ে এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের হাজারো মানুষ হত্যার বিচারের দাবি জানিয়ে ৮-ই আগস্ট মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন


আট মাস বয়সী কনিষ্ঠ পুত্র আরিয়ান সহ পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি বাক প্রতিবন্ধী কবির ছিলেন চার সন্তানের জনক 


স্ত্রী সুমা আক্তার, ছোট বোন সুরমা এবং তার মা রোকেয়া বেগম প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর ইউনূস এর কাছে হত্যার বিচারের জোড় দাবি জানান 


পরিবারের অভিভাবক আবু মিয়া বলেন, “দুই মাস পার হলেও মামলার কোনো অগ্রগতি নেই। রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহল ও পুলিশ মামলাটি ভিন্ন খাতে নিতে চেষ্টা করছে।”


তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মহব্বত খান বলেন, মামলাটি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তদন্ত কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) ফিরোজ আলম অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে কাজ করছেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ শেষে শিগগিরই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।”