সব সময় সব খানে


সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬

৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : বরগুনা

আমতলীতে দ্বিতীয় শ্রেণির মাদ্রাসা ছাত্রী দাখিল পরীক্ষার্থী কর্তৃক ধর্ষণের শিকার


বরগুনা জেলা সংবাদদাতা

eshomoy.com || 2025-04-09
আমতলীতে দ্বিতীয় শ্রেণির মাদ্রাসা ছাত্রী দাখিল পরীক্ষার্থী কর্তৃক ধর্ষণের শিকার
প্রতীকী ছবি

আমতলীর একটি মাদ্রাসায় দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী দাখিল পরীক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত রুমান খাঁন কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী ছাত্রী নিজেই এমন অভিযোগ করেছেন।

গত মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে আমতলী উপজেলার মধ্য তারিকাটা গ্রামের আফতাব উদ্দিন কারিমিয়া আমজাদিয়া মাদ্রাসায় ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীকে তার স্বজনরা উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। হাসপাতালের চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের ওয়ান-স্টাপ ক্রাইসিস সেন্টারে প্রেরণ করেছেন। আজ বুধবার (৯ এপ্রিল) ভুক্তভোগীর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার তারিকাটা গ্রামের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া মাদ্রাসা ছাত্রী (৯) মঙ্গলবার সকালে আফতাব উদ্দিন কারিমিয়া আমজাদিয়া মাদ্রাসায় যান। ক্লাস শেষে শিক্ষক হুমায়ুন কবিরের ছোট ভাই দাখিল পরীক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত রুমান ওই ছাত্রীকে অপেক্ষা করতে বলে। পড়ে অভিযুক্ত রুমান তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ ওই ছাত্রীর।

পরে ভুক্তভোগী ছাত্রী বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি তার মাকে জানায়। শিশুটির মা ও স্বজনরা মিলে ওইদিন সন্ধ্যায় তাকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে প্রেরণ করেছেন। ওই রাতেই শিশুটিকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

খবর পেয়ে আমতলী থানা পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে ওই ছাত্রীর জবাববন্দি নিয়েছেন এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ধর্ষণে অভিযুক্ত রুমান খাঁন ওই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবিরের ছোট ভাই। তার বাবার নাম বশির খাঁন। এ ঘটনার পর থেকে ইয়াসিন আরাফাত রুমান খাঁন পলাতক রয়েছে। রুমান এ বছর একই মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থী।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিযোগ, 'মাদ্রাসা ছুটির পরে শিক্ষক হুমায়ুন কবিরের ছোট ভাই ইয়াসিন আরাফাত রুমান আমাকে ক্লাসরুমে বসতে বলে। পরে আমি ও আরও দুইটি মেয়ে বসেছিলাম। রুমান ওই শিশু দুটিকে দোকানে পাঠিয়ে দিয়ে আমাকে ধর্ষণ করেছে।'

ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বলেন, 'আমার শিশু কন্যাকে রুমান খাঁন ধর্ষণ করেছে। আমি এ ঘটনায় তার শাস্তি দাবি করছি।' 

ধর্ষণে অভিযুক্ত ইয়াসিন আরাফাত রুমানের চাচা রিয়াজ খাঁন বলেন, 'রুমানের ১০ এপ্রিল দাখিল পরীক্ষা। ওই পরীক্ষায় যাতে অংশ নিতে না পারে সেজন্য ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে।' তিনি আরো বলেন, রুমানের বাবা একজন বাকপ্রতিবন্ধী।

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ তাসফিয়া সিদ্দিক বলেন, ওই ছাত্রীকে হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে এবং নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মামলা হলে নমুনা পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেয়া হবে। 

আমতলী থানার ওসি মোঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, 'খবর পেয়ে হাসপাতাল ও ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ঘটনা জেনেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।