সব সময় সব খানে


রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : বরগুনা

পরিবেশ দুষণ ও মশার উৎপাত বাড়লেও উদাসীন আমতলী পৌর কর্তৃপক্ষ


বরগুনা জেলা সংবাদদাতা

eshomoy.com || 2025-06-28
পরিবেশ দুষণ ও মশার উৎপাত বাড়লেও উদাসীন আমতলী পৌর কর্তৃপক্ষ
পঁচা পানি আর দুর্গন্ধে দুর্ভোগে আমতলী পৌরবাসী - ইসময়

আমতলী পৌরসভার শতাধিক ডোবা-নালা এখন মশা ও মাছির উৎপত্তিস্থলে পরিণত হয়েছে। শহরের প্রায় প্রতিটি এলাকায় ডোবা-নালা ময়লা-আবর্জনায় ভরে পঁচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে পরিবেশ চরমভাবে দূষিত হচ্ছে। অথচ পৌরসভা কর্তৃপক্ষের নেই তেমন কোনো কার্যকর উদ্যোগ। ফলে পৌর শহরের প্রায় অর্ধলাখ মানুষ চরম ভোগান্তির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

জানা যায়, ১৯৯৮ সালে আমতলী পৌরসভা গঠনের পর থেকে এসব ডোবা-নালার সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ বা নিয়মিত পরিস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। বছরের পর বছর পড়ে থাকা এসব স্থানে পঁচা পানি ও জমে থাকা আবর্জনা থেকে ছড়াচ্ছে ভয়াবহ দুর্গন্ধ। এতে শুধু বসবাসই কষ্টকর হয়ে পড়েনি, বরং মশাবাহিত রোগ ছড়ানোরও ঝুঁকি বাড়ছে।

শনিবার বিকেলে সরেজমিনে আমতলী পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলা নির্বাহী অফিসের চারপাশের লেক, এমইউ বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে, সবুজবাগ, চাওড়া, খোন্তাকাটা, বকুলনেছা মহিলা কলেজ, আমতলী সরকারি কলেজ—সবখানেই ডোবা-নালা ময়লায় ভরপুর। পঁচা পানির দুর্গন্ধ এবং মশা-মাছির উৎপাত এলাকাবাসীর নিত্যদিনের যন্ত্রণা হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মিঠাবাজারের সিদ্দিক মিয়া বলেন, “ডোবা-নালায় বড় বড় মশা জন্ম হচ্ছে। ঘরে টিকতে পারি না।” সবুজবাগ এলাকার গোপাল মাঝি জানান, “পঁচা পানি আর দুর্গন্ধে পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে। মশার উপদ্রবে জীবন অতিষ্ঠ।” অসিম মৃধা বলেন, “রাতে মশার তাণ্ডবে ঘুমানোই দায়। পৌরসভাকে বলেও কোনো লাভ হয়নি।” খোন্তাকাটা এলাকার ইউসুফ আলী জানান, “মশার যন্ত্রণায় ঘরে থাকা দায়। কিন্তু পৌরসভার কোনো উদ্যোগ নেই।”

এ বিষয়ে পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ মামুনুর রশিদ বলেন, “পরিত্যক্ত ডোবা-নালাগুলো পরিষ্কার করে মশা নিধন করা হবে।” পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রোকনুজ্জামান খাঁন বলেন, “ফগার মেশিন দিয়ে ধোঁয়া দেওয়া হয়েছে। দ্রুত ডোবা-নালা পরিস্কারে পদক্ষেপ নেয়া হবে।”

পৌরবাসীর দাবি, দ্রুত এসব ডোবা-নালা পরিষ্কার করে মশার উৎপাত ও পরিবেশ দূষণ রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।