বরগুনায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে নষ্ট হয়ে গেছে জেলার অনেক পানের বরজ। লোকসানের শিকার হয়েছেন পান চাষিরা। এনজিও ও ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে এখন বিপাকে পড়েছেন তারা। তবে,পান চাষীদের ক্ষতিপূরণের জন্য কোন বরাদ্দ বা ভর্তুকীর ব্যবস্থা নেই বলে জানিয়েছে জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
উপকূলীয় জেলা বরগুনায় প্রতিবছরই বিপুল পরিমাণ পান চাষ হয়ে থাকে। এই জেলা থেকে পান রাজধানীসহ সারাদেশে সরবরাহ করা হয়। আর এই পেশায় জড়িত জেলার কয়েক হাজার পরিবার৷ বরগুনায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে ৩ হাজার ৫০০ জন পান চাষী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ১১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ বছর বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় পান চাষ হয়েছে ৩৬৮ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে সম্পূর্ণ ক্ষতি হয়েছে ১৮৪ হেক্টর জমির পানের বরজ। এতে পান উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে ৭৩৬ মে. টন।
ঘূর্ণিঝড়ের রিমালে ভারি বর্ষণ ও দীর্ঘস্থায়ী বন্যার কারণে পানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পানিতে তলিয়ে ও প্রচন্ড বাতাসে পানের বরজ হেলে পরে নষ্ট হয়েছে পান। লোকসানের মুখে পড়েছেন চাষিরা। এনজিওর লোন ও ধার দেনা পরিশোধ করা নিয়ে দিশেহারা তারা।
এ অবস্থায় পান চাষিদেরকে পরামর্শ দেয়ার পাশাপাশি নানা ধরনের সহায়তা করা হচ্ছে বলে জানালেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা।
বরগুনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. জোবায়দুল আলম বলেন, পান চাষীদের ক্ষতিপূরণের জন্য কোন বরাদ্দ বা ভর্তুকীর ব্যবস্থা নেই। তবে কোন বরাদ্দ পাওয়া গেলে তা পান চাষীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।