সব সময় সব খানে


সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬

৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : সুনামগঞ্জ

হাসিনা যাবে আর অন্য কেউ আসবে—এই কারণে মানুষ আন্দোলন করেনি: আখতার হোসেন


তাসপিয়া তাবাসসুম, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-01-21
হাসিনা যাবে আর অন্য কেউ আসবে—এই কারণে মানুষ আন্দোলন করেনি: আখতার হোসেন


বাংলাদেশের সংবিধান, বিচারব্যবস্থা, পুলিশ প্রশাসনসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে সংস্কার অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন। তিনি বলেছেন, “এই সংস্কারের প্রত্যাশা বুকে ধারণ করেই দেশের মানুষ আন্দোলন করেছে এবং জীবন দিয়েছে। শুধু শেখ হাসিনা ক্ষমতা থেকে সরে যাবেন আর অন্য কেউ ক্ষমতায় আসবে—এই জন্য মানুষ ২০২৪ সালের আন্দোলনে জীবন দেয়নি।”

সোমবার (২০ জানুয়ারি) আসাদ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘শহীদ আসাদ থেকে শহীদ আবু সাঈদ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এই সভায় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


আখতার হোসেন বলেন, “১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সঙ্গে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের বড় পার্থক্য রয়েছে। ’৬৯-এ রাজনীতিবিদরা যেভাবে সক্রিয় ছিলেন, এবারের আন্দোলনে সেভাবে সক্রিয় ছিলেন না। এ সময় দেশের সাধারণ মানুষ এবং ছাত্ররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে আন্দোলন করেছেন এবং জীবন দিয়েছেন।”


আখতার হোসেন আরও বলেন, “অনেকে বলে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সংস্কারের ম্যান্ডেট কে দিয়েছে। তারা বলে, কেবল নির্বাচিত সরকারই সংস্কার করতে পারে। কিন্তু আমরা জানতে চাই, বিগত দিনে আপনারা যখন ক্ষমতায় এসেছিলেন, কত শতাংশ মানুষের ম্যান্ডেট নিয়ে এসেছিলেন? এই সরকার দেশের মানুষের ম্যান্ডেট নিয়েই কাজ করছে।”

তিনি অভিযোগ করেন, “ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। কিন্তু আমরা তাদের আর কোনোভাবে রাজনৈতিকভাবে প্রাসঙ্গিক হতে দেব না। দেশের জন্য ’৭২-এর সংবিধান বাতিল করে নতুন সংবিধান তৈরি করতে হবে। কারণ এই সংবিধানই ফ্যাসিবাদের মূল ভিত্তি।”


নতুন সংবিধান তৈরির প্রস্তাব নিয়ে আখতার হোসেন বলেন, “যখন আমরা নতুন সংবিধানের কথা বলেছি, তখন অনেকে সমালোচনা করেছেন। অথচ এই দেশের তরুণরা ইতোমধ্যেই নতুন সংবিধানের রোডম্যাপ তৈরি করেছে। দেশের রাজনৈতিক দলগুলো এমন রোডম্যাপ হাজির করতে পারেনি।”


আখতার হোসেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “শুধু রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর হুমকি দিয়ে সংস্কার বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। আপনাদেরই পরিবেশ তৈরি করতে হবে। সংস্কার কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।”

সভায় জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।