সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : সুনামগঞ্জ

ভায়াডাঙ্গা আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষার্থী হিয়া মনির ড্রপস এর মেধা বৃত্তি অর্জন


শেরপুর প্রতিনিধি

eshomoy.com || 2025-04-29
ভায়াডাঙ্গা আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষার্থী হিয়া মনির ড্রপস এর মেধা বৃত্তি অর্জন

ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ফর হিউম্যান পটেনশিয়াল সাসটেইনেবিলিটি (ড্রপস) আয়োজিত জুনিয়র মেধাবৃত্তি ২০২৫-এ প্রাথমিক ধাপে প্রথম স্থান অর্জন করে এলাকায় গৌরব বয়ে এনেছে মোছা: হিয়া মনি। সে ভায়াডাঙ্গা আইডিয়াল স্কুলের ৯ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী। তার বাবা হারুন অর রশিদ ও মা ইয়াছমিন বেগম, দুজনেই মেয়ের এই সাফল্যে আপ্লুত। তারা ভায়াডাঙ্গা বানিয়াপাড়া গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা।

হিয়া মনির এই অর্জন শুধু তার পরিবার নয়, পুরো বিদ্যালয় ও গ্রামের জন্য এক গর্বের বিষয়। ড্রপস-এর এই প্রতিযোগিতাটি ছিল অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক। শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় প্রাথমিক ধাপে প্রথম হয়ে হিয়া মনি তার কঠোর পরিশ্রম, একাগ্রতা এবং প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফ মিয়া জানান, হিয়া মনি শুরু থেকেই লেখাপড়ায় অত্যন্ত মনোযোগী ও মেধাবী। তার প্রতিটি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল এবং সহপাঠীদের মাঝে নেতৃত্বগুণ তাকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করেছে। তিনি আরও বলেন, “হিয়ার এই সাফল্য আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা। আমাদের আরও শিক্ষার্থীদের এমনভাবে প্রস্তুত করতে উৎসাহ জোগাবে।”

মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় হিয়ার এমন সাফল্যের পেছনে পরিবারের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। হিয়ার মা ইয়াছমিন বেগম বলেন, “আমার মেয়ে পড়াশোনাকে খুব ভালোবাসে। আমরা চেষ্টা করি তাকে যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করতে। তার এই অর্জন আমাদের সকল কষ্ট সার্থক করেছে।”

ড্রপস-এর এই মেধাবৃত্তি কর্মসূচি গ্রামের প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করে তাদের উন্নত ভবিষ্যতের জন্য সহায়তা করায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। হিয়া মনির মতো শিক্ষার্থীরা সমাজের আশার আলো। তার এই অর্জন অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে।

শিক্ষা উন্নয়নের এই প্রয়াস শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং একটি সমাজের অগ্রযাত্রাকে নির্দেশ করে। হিয়া মনির অর্জন প্রমাণ করে, সুযোগ পেলে প্রত্যন্ত গ্রামের শিক্ষার্থীরাও জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের প্রতিভা দেখাতে সক্ষম।