সব সময় সব খানে


রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : সুনামগঞ্জ

কোটা সংস্কারের দাবির জবাবে

মুক্তিযোদ্ধার নাতিরা কোটা না পেলে কি রাজাকারের নাতিরা পাবে: প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের দাবির জবাবে এই প্রশ্ন তোলেন সরকারপ্রধান।


Ayat

eshomoy.com || 2025-07-15
মুক্তিযোদ্ধার নাতিরা কোটা না পেলে কি রাজাকারের নাতিরা পাবে: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা: সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের দাবিতে চলমান বিতর্কের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি জোরালো প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। তিনি বলেছেন, "মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা কোটা না পেলে কি রাজাকারের নাতি-নাতনিরা পাবে?" এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটার পক্ষে সরকারের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

সম্প্রতি একটি আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কারণেই বাংলাদেশ স্বাধীনতা পেয়েছে। তাদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সম্মান ও স্বীকৃতি দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এই প্রেক্ষাপটে তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, "দেশের জন্য যারা রক্ত দিলো, জীবন দিলো, তাদের বংশধররা কেনো সুযোগ পাবে না? আর যারা দেশের বিরুদ্ধে ছিল, পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করেছে, গণহত্যায় অংশ নিয়েছে, তাদের সন্তানরা সুযোগ পেয়ে সব গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হবে, এটা হতে পারে না।" তিনি বলেন, আদালতের রায়ের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ফিরে এসেছে এবং এই রায়কে সম্মান জানানো উচিত।

প্রেক্ষাপট:

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক আন্দোলনের মুখে সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা বাতিল করে একটি পরিপত্র জারি করেছিল। সম্প্রতি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ সেই পরিপত্রটিকে অবৈধ ঘোষণা করে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের রায় দেয়।

এই রায়ের পর থেকেই ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর ব্যানারে একদল শিক্ষার্থী কোটা বাতিলের দাবিতে আবারও আন্দোলন শুরু করেছে। তাদের মতে, কোটা ব্যবস্থা মেধার সঠিক মূল্যায়নকে বাধাগ্রস্ত করে এবং বৈষম্য তৈরি করে।

সরকারের অবস্থান:

প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট যে, সরকার মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রাখার বিষয়ে আদালতের রায়ের পক্ষে রয়েছে। তিনি আন্দোলনকারীদের সমালোচনা করে বলেন, যারা কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে, তারা কি চায় রাজাকারের সন্তানরা দেশের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হোক? তার এই প্রশ্নটি মুক্তিযোদ্ধা কোটা বিতর্ককে একটি নতুন মাত্রা দিয়েছে এবং এটিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির বিতর্কের সাথে যুক্ত করেছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই কঠোর অবস্থান মুক্তিযোদ্ধা কোটা ইস্যুতে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তকে প্রতিফলিত করে। এর ফলে কোটা বাতিলের দাবিতে চলমান ছাত্র আন্দোলন আরও জটিল দিকে মোড় নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।