সব সময় সব খানে


সোমবার, জুলাই ২৭, ২০২৬

১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
সোমবার, জুলাই ২৭, ২০২৬
১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সিরাজগঞ্জে ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী গুরুতর আহত, ঢাকায় রেফার্ড

>> সিরাজগঞ্জে বাস চালককে জরিমানা করায় সড়ক অবরোধে বাজার স্টেশনে তীব্র যানজট

>> বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) অনুমতি ছাড়াই রায়গঞ্জে চলছে ‘মিনি পেট্রোল পাম্প

>> মাত্র এক হাজার টাকার বিরোধে যুবককে হত্যা মামলার মূল আসামি শাহীন গ্রেফতার

>> ফরিদপুরে মামুনুল হকের আগমন উপলক্ষে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

>> এনায়েতপুর দুটি হত্যা মামলায় প্রভাবশালীদের অব্যাহতিতে বিতর্ক

>> সবুজ সিরাজগঞ্জ গড়ার প্রত্যয়ে সাত্তার ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

>> দিনাজপুর সীমান্তে ৯ নারীকে পুশ-ইনের চেষ্টা, বাধা দিল বিজিবি

>> মাদকের চালান টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে: হাতীবান্ধার চার পুলিশ কর্মকর্তা ক্লোজড

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় নবযোগদানকৃত টিএইচ আই'র সাথে চিকিৎসক সমিতির সৌজন্য সাক্ষাৎ

আপনি পড়ছেন : বিচিত্রা

বিয়ের পূর্বে বরের যৌন সক্ষমতা যাচাই করেন কনের খালা: অদ্ভুত উপজাতীয় রীতি


মোঃ নাজমুল ইসলাম

eshomoy.com || 2025-08-11
বিয়ের পূর্বে বরের যৌন সক্ষমতা যাচাই করেন কনের খালা: অদ্ভুত উপজাতীয় রীতি

আফ্রিকার উগান্ডায় একটি উপজাতির মধ্যে অদ্ভুত কিছু রীতিনীতি প্রচলিত রয়েছে। সেখানে বিয়ের পূর্বে কনের খালা বরের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে তার যৌন সক্ষমতা যাচাই করেন।


ঐ উপজাতির দম্পতির বিয়েতে খালাদের হস্তক্ষেপের বিষয়টিকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।


দক্ষিণ উগান্ডার বানিয়ানকোল উপজাতি কুমারীত্বকে পরম শ্রদ্ধা করে । যেহেতু, কনেকে কুমারী হতে হবে, তাই পুরুষটিও দুর্দান্ত হওয়া অত্যাবশ্যক।


বিয়ের আগের রাত পর্যন্ত, কনে তার কুমারীত্ব বজায় রাখে এবং বরের শারীরিক সক্ষমতা আছে কিনা তা নিশ্চিত করা খালার দায়িত্ব।


আট বছর বয়সেই, খালা বিয়ের জন্য মেয়েদের বর দেখতে শুরু করেন। একবার স্তন্যপান হয়ে গেলে, তার যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা নিষেধ। যে কনে কুমারী নয় তাকে অবজ্ঞার চোখে দেখা হয় ও সামাজিকভাবে বর্জন করা হয়।এমনকি তাকে মৃত্যুদণ্ড ভোগ করতে হয়।


বানিয়ানকোলরা মোটা হওয়াকে সৌন্দর্যের লক্ষণ বলে মনে করে। অল্পবয়সী মেয়েদের ঘরে আবদ্ধ রেখে গরুর মাংস, বাজরার দই ও প্রচুর দুধ খাওয়ানো হয় যাতে তারা মোটা হতে পারে।


খালার কর্তব্য:

বরের যৌন সক্ষমতা পরীক্ষা করার জন্য খালা বরের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে‌ন। তিনি হবু স্বামী কেমন হবে কনেকে তা শেখান। কনে এখনও কুমারী কিনা তা দেখার জন্য বরকেও "পরীক্ষা" করতে বলা হয়।


বর কনেকে নগদ অর্থ দেওয়ার পর বিয়ের প্রস্তুতি শুরু হয়। বিয়ের দিন যখন কনের পিতা একটি গরু জবাই করেন তখন সেখানে প্রচুর আপ্যায়ন হয়।


কনের খালা তার বোনঝির কুমারীত্ব "পরীক্ষা" করে বরের কুমারীত্ব পরিমাপ করার জন্য তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করার পর বাড়িতে দ্বিতীয় ভোজ হয় এবং বিবাহ সম্পন্ন হয়।

এখানেই শেষ নয়, বিয়ের পরবর্তীতেও নবদম্পতিকে পর্যবেক্ষণ করা খালার দায়িত্ব।


যদিও এই প্রাচীন রীতিটি অত্যন্ত অদ্ভুত, তবুও বলতে হয়, বানিয়ানকোলরা কুমারীত্বের মহিমাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।