সব সময় সব খানে


রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : বিচিত্রা

চুল পড়া রোধে করণীয়


eshomoy.com || 2021-03-15 19:48:00
চুল পড়া রোধে করণীয়

চুল পড়া বন্ধ করার জন্য কত রকম মাস্ক, কত তেল, আরও কত কিছুই তো আপনারা ব্যবহার করেন। কিন্তু একটু সাবধানে থাকলেই আর নিয়ম মেনে চললেই এই চুল পড়া অনেকখানি কমিয়ে আনতে পারেন। এখানে এমন কয়েকটি অভ্যাস বা নিয়মের কথা তুলে ধরা হলো যা আপনার চুল কম পড়তে সহায়তা করবে।
 
০১. বালিশের কাভারঃ
সুতির তৈরি বালিশের কাভার ব্যবহার না করে সিল্কের তৈরি বালিশের কাভার ব্যবহার করুন। কারণ সুতির তৈরি কাপড়ের উপর আপনার চুল সারা রাত পড়ে থাকে আর তখন সুতির কাপড় আপনার চুলের সমস্ত ময়েশ্চার শুষে নেয়। ফলে চুল অনেক শুষ্ক হয়ে যায় আর বালিশের কাপড়ের সাথে ঘষা লেগে লেগে আরও বেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। সিল্কের কাপড় কখনও চুলের ময়েশ্চার শুষে নেয় না। তাছাড়া সিল্কের তৈরি বালিশের কাভার ব্যবহার করলে চুলে জট বাঁধবেনা।
 
০২. তোয়ালের ব্যবহারঃ
চুল শুকানোর জন্য তোয়ালে ব্যবহার না করে আপনার কোন পুরোনো টি শার্ট বা পুরনো পরিষ্কার নরম কাপড় ব্যবহার করুন। কারণ সুতির বালিশের কাভারের মতই তোয়ালেও এক-ই ভাবে চুলের ময়েশ্চার শুষে নিয়ে চুল কে রুক্ষ এবং ভঙ্গুর করে তোলে।
 
০৩. চুলের আগা:
 
প্রতি ৬ সপ্তাহে চুলের আগা ছাঁটতে হবে কারণ দু মুখো চুল আপনার চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
 
০৪. ময়েশ্চারাইজিং শ্যাম্পু:
 
এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করুন যেটার মধ্যে ন্যাচারাল অয়েল থাকে। যেমন নারিকেল তেল, জজবা তেল।
 
০৫. ভেজা চুলে স্টাইল:
 
হালকা ভেজা চুল হলেও চুল ভালো মত শুকিয়ে চুল বাঁধতে হবে। আপনি যে ধরনের স্টাইলেই চুল বাঁধুন না কেন, তার আগে সম্পূর্ণ চুল শুকিয়ে নিয়ে হবে।
 
০৬. চুল শুকানো:
 
হেয়ার ড্রায়ারের মাধ্যমে চুল না শুকিয়ে বাতাসে চুল শুকানোর চেষ্টা করুন। কারণ হেয়ার ড্রায়ারের গরম বাতাস আপনার চুলের জন্য ক্ষতিকর।
 
০৭. পণী টেইল:
 
মেয়েদের একটি কমন চুলের স্টাইল হচ্ছে পণী টেইল। যারা সব সময় টাইট পণী টেইল করে তাদের চুল বেশি পড়ে বা ভেঙ্গে যায়। তাই সব সময় পণী টেইল ঢিলা করে করবেন। ইলাস্টিক এর রাবার ব্যান্ড ব্যবহার করবেন না।
 
০৮. ঠিক মত খাওয়া দাওয়া করুন:
 
আপনার চুলের ভালো স্বাস্থ্যের জন্য ভালো ভাবে খাওয়া দাওয়া করুন। প্রচুর পরিমাণে ফল, পানীয় আর প্রোটিন খান। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হেয়ার ভিটামিন খেতে পারেন।
 
০৯. কন্ডিশনারের ব্যবহার:
 
ডিম কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করলে তা আপনার চুলের স্বাস্থ্য ভালো করতে সাহায্য করবে, কারণ ডিমে আছে প্রচুর প্রোটিন। চুলের ৭০ শতাংশই হলও keratin প্রোটিন। তাই ডিমের প্রোটিন ড্যামেজ হয়ে যাওয়া চুল কে আবার আগের মত সুন্দর অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম। ডিমের কন্ডিশনার আপনি খুব সহজেই প্রস্তুত করতে পারেন। প্রথমে একটি ডিম ভেঙ্গে তার সাথে ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মেশান। একটি কাঁটা চামচ দিয়ে ভালো মত মেশাতে হবে। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভালো মত ধুয়ে নিন। চুলের অতিরিক্ত পানি হাত দিয়ে চেপে চেপে ঝরিয়ে নিন। এরপর একটি শুকনো তোয়ালে দিয়ে একবার শুধু চুল গুলো চেপে ধরে আবার ছেড়ে দিন, কিন্তু চুল শুকানোর চেষ্টা করবেন না। এবার চুলের প্রতিটা অংশে ডিম আর অলিভ অয়েলের মিশ্রণ লাগান। যাদের চুলের আগা ফেটে যায় তারা চুলের আগায় ভালো মত লাগাবেন। এবড়ো একটি শাওয়ার ক্যাপ পরে নিন এবং ১০ – ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার ডিমের কন্ডিশনার ধুয়ে ফেলুন ভালো মত।
 
১০. চুল আঁচড়ানোঃ
 
ভেজা চুল আঁচড়ানো যাবে না। অনেকে গোসল শেষ করে চুল তোয়ালে দিয়ে মুছেই চুল আঁচড়ে নেন, কিন্তু এতে চুল অনেক বেশি পড়ে। কারণ ভেজা অবস্থায় চুলের গোড়া নরম থাকে। তাই ঐ সময় চুলে টান লাগলে চুল খুব সহজেই ভেঙ্গে পড়ে বা ঝরে পড়ে।
 
চুলে নিয়মিত তেল ম্যাসাজ করার পাশাপাশি এই নিয়ম গুলো মেনে চললে কোন ঝামেলা ছাড়াই চুল পড়া কমানো যায।