ভারতের হুগলি জেলার খামারগাছি ও বলাগড় স্টেশনের মাঝামাঝি জায়গায় ২০ নভেম্বর (শনিবার) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
সঞ্জিত সরকার ও রুবিনা খাতুন নামের এ যুগল প্রেমিক -প্রেমিকা । সঞ্জিতের বাড়ি বলাগড় থানার শেরপুরে ।
একই থানা এলাকার শিমুলিয়া অঞ্চলে রুবিনার বাড়ি । সঞ্জিত ও রুবিনা ১৬ বছর বয়স থেকেই একে অপরে সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। সঞ্জিত ও রুবিনার পরিবার ওই সম্পর্ক মানতে অস্বীকার করায় একবার বাড়ি ছেড়ে পালিয়েও গিয়েছিলেন। পুলিশের হস্তক্ষেপে পরে অবশ্য ঘরে ফিরে এসেছিলেন দু'জন ।
রুবিনার পরিবার এর পরই অন্য ছেলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দেয়। সঞ্জিতের সঙ্গে তার সম্পর্ক তখন অটুট ছিল। তারা যোগাযোগ করতেন গোপনে । কিন্তু শেষমেশ আত্মহত্যার পথ বেছে নেন রুবিনা ও সঞ্জিত কারণ আর কখনোই তাদের একসঙ্গে থাকা হবে না ভেবে।
পূর্ব বর্ধমানের কালনা জিআরপি দু’জনের দেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহ দুটি কালনা মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
‘দুই পরিবারের কেউই ওদের সম্পর্ক মেনে নেয়নি,তাই হয়তো এই সিদ্ধান্ত বলেন সঞ্জিতের বাবা সুভার সরকার ।
বিয়ে মেনে নেয়নি পরিবার কারণ তারা ছিল ভিন্ন ধর্মের। যার পরিপ্রেক্ষিতে চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করলেন সঞ্জিত ও রুবিনা।